টা,না ৫ ঘণ্টা শা’রী`রিক স’ম্পর্কের পর প্রা’ণ গেল ত`রুণীর!

প্রেমিকের স’ঙ্গে নিয়মিত অ`ন্তরঙ্গভাবে মি,লিত হতেন তিনি। তবে এদিন চেয়েছিলেন এবার দীর্ঘ সময় ধরে মিলিত হবেন।করলেনও তাই।

উদ্দা,ম শা*রীরিক স’ম্পর্কে মেতে উঠলেন তিনি। টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে শা*রীরিক স’ম্পর্ক। এর জেরও পোহাতে হয়েছে তার। ঘটনাটি ঘটেছে কলম্বিয়ায়।

৩২ বছরের ওই ত`রুণী ‘দ্য বিস্ট’ নামে পরিচিত। বহুদিন ধরেই এক যুবকের সঙ্গে স’ম্পর্ক ছিল তার।এর আগেও বহুবার প্রেমিকের সঙ্গে শা*রীরিক স’ম্পর্কে লি’প্ত হয়েছেন তিনি।

এদিন তার পরিকল্পনা ছিল দীর্ঘক্ষণ ধরে শা*রীরিক স’ম্পর্কে লি,প্ত হওয়ার।কলম্বিয়ার সাউর্দান কালিতে একটি হোটেলে উঠেছিলেন তারা। অ’তিরি’ক্ত নে’শাও করেছিলেন। খাওয়া-দাওয়ার পর সোজা বিছানায় চলে যান তরুণ-ত`রুণী।

একে অ’পরের সঙ্গে শা*রীরিক স’ম্পর্কেও লি’প্ত হন। প্রায় পাঁচ ঘ,ণ্টা ধরে উদ্দাম যৌ’নতায় মেতে ওঠেন তারা। দীর্ঘক্ষণ পর বিছানাতেই অ’সুস্থ বোধ করেন ত`রুণী।তার প্রেমিককে অ’সুস্থতার কথা জানান। তড়িঘড়ি হোটেলের জরুরি নম্বরে ফোন করেন ওই যুবক।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে হোটেল কর্মীরা দেখেন এক্কেবারে ন’গ্ন অবস্থায় বিছানায় শুয়ে রয়েছেন ওই ত`রুণী। পাশেই রয়েছেন যুবক। তার অবস্থাও প্রায় একই রকম।স’ঙ্গে সঙ্গে গাড়ি ডা’কা হয়। কোনোক্রমে ওই নারীকে হোটেল থেকে উ’দ্ধার করে স্থানীয় হা*সপা*তালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে ততক্ষণে চি,রতরের জন্য অ’চেতন হয়ে পড়েছেন ‘দ্য বিস্ট’ নামের ওই ত`রুণী। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানিয়ে দেন যে মা’রা গিয়েছেন তিনি।খবর পেয়ে পু’লিশ হা*সপা*তালে পৌঁছায়।

ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ময়নাত’দন্তে পাঠানো হয়। ময়নাত’দন্ত রি,পোর্টে মিলেছে ওই নারীর শ`রীরে অ’তিরিক্ত ড্রা’গের নমুনা।

প্রাথমিক ত’দন্তে পু’লিশের অনুমান, যৌ’নক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অ’তিরিক্ত ড্রা’গ নিয়েছিলেন ওই ত`রুণী।তার জেরেই টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলের ঘরে উদ্দাম যৌ’নতায় মাতেন তিনি। তবে ওই ত`রুণী রোজই ড্রা’গ নিতেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পু’লিশ।

এছাড়াও এই মৃ’ত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তাও জানার চেষ্টা করছেন ত’দন্তকারীরা।নি’হত ওই ত`রুণী স্বেচ্ছায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে শা*রীরিক স’ম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন কি না, তা জানতে ইতোমধ্যেই ওই যুবকের সঙ্গে কথাবার্তা বলাও শুরু করেছে পু’লিশ।

আট বছর ধরে স’ন্ন্যাসী হওয়ার প্রশি’ক্ষণ নিয়ে হয়ে গেলেন প’র্নস্টার!

ইউডি পিনেডা। কলম্বিয়া তোলপাড় ২৮ বছরের এই মহিলাকে নিয়ে। ১৩ জানুয়ারি মুক্তি পাবে তাঁর প্রথম প’র্নছবি।

পিনেডার ভাষায়, ‘আর্টিস্টিক প’র্নফিল্ম’। কি’ন্তু এই পিনেডার অ’তীত কিন্তু একেবারেই অন্যরকম। সেই ইতিহাসের পাতাগুলোতেই চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

দশ বছর বয়সেই তিনি কনভেন্ট স্কুলে পাড়ি দিয়েছিলেন সন্ন্যাসিনী হবেন বলে। ইউডির কথায়, ‘কনভেন্ট স্কুলে জীবনটা খুব আনন্দের সঙ্গেই কা’টাচ্ছিলাম।’ জীবন যখন আনন্দেই কাটছিল, তখন আবার আট বছর কনভেন্ট স্কুলে থাকার পর মত পরিবর্তন কেন?

কারণ ১৮ বছর বয়সে সেখানেই প্রে’মে পড়ে যান এক ধ’র্মীয় প্রশিক্ষকের। আর প্রে’মে পড়া মাত্রই গতে বাঁ’ধা জীবন থেকে একটু বেরতে চাইছিলেন তিনি। তখনই কনভেন্টের গণ্ডি পেরিয়ে অন্য কিছু করবেন বলে মন’স্থির করেন কল’ম্বিয়ার ইউডি পিনেডা।

কল’ম্বিয়ার শহর মেডেল্লিনে চলে আসেন তিনি। ‘নেসলে’ কোম্পানিতে চাকরিও জোগাড় করে ফেলেন। কিন্তু ইউডির মন বলছিল এক, আর তিনি দিনের পর দিন করে যাচ্ছিলেন আর এক।

এক দিকে প্রে’ম। আর এক দিকে চাকরি জীবন। দু’য়ে মিলে টালমাটাল জীবন নিয়ে জেরবার হয়ে যাচ্ছিলেন ইউডি। হঠাৎই খবর পান জুয়ান বুস্টোস নামের এক ভদ্রলোক মডেলের খোঁজ করছেন নিজের অ্যাডাল্ট ওয়েব পোর্টালের জন্য। খবর পাওয়া মাত্রই, জুয়ান বুস্টোসের দলে নাম লিখিয়ে নেন ইউডি।

ইউডির কথায়, ‘‘আমি বেশ কিছু অডিশন দিয়েছিলাম। তার পর জুয়ান বুস্টোসের নজরে আসি। অডিশন শেষ হওয়া মাত্র উনি আমাকে ফাইনাল করেন।’’

কিন্তু কোথায় সন্ন্যাসিনী হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, সেখান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প’র্নস্টার? পরিষ্কার ভাবে ইউডি বললেন, ‘‘প্রথম প্রথম একটু খা’রাপ লাগছিল। কিন্তু এখন বেশ ভালই লাগছে।

যখন চার্চে যাই তখনও আমা’র খুব ভাল লাগে। শুক্রবারের প্রার্থনা, শনিবারের জমায়েত এ সবের কিছুই এখন আমি আর মিস করি না।’’

তবে এমনতর জীবিকা বদলের ইচ্ছে ইউডির মুখ থেকে শুনে রেগে গিয়েছিলেন তাঁর কনভেন্ট স্কুলের শিক্ষিকারাও। ইউডির কথা অনুযায়ী, বহু বাধার দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কারও কোনও বারণ শোনেননি অ’ভিনেত্রী।

নবাগতা এই প’র্নস্টার তাঁর নতুন এই কেরিয়ারকে বলছেন, ‘শালীন এবং শৈল্পিক।’ আর বললেন, ‘প’র্ন ছবিতে অ’ভিনয় করার মধ্যে আমি খা’রাপ কিছুই দেখি না।’

কনভে’ন্ট স্কুলের গণ্ডির মধ্যে বেড়ে ওঠা। তাই ইউডির প্রথম ছবির থিম ওই কনভেন্ট নিয়েই। আর ছবিটির প্রযোজনা এবং পরিবেশনা করবেন ‘ব্যাং’ব্রোস’।

এবার হাই’স্কুলে বিনামূল্যে ক’নডম দেয়া হবে!

কম বয়সে গ’র্ভবতী হওয়া ঠেকাতে স্কুল শিক্ষা’র্থীদের মাঝে বি’নামূল্যে ক’নডম বিতরণ করা হবে বলে সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছে যু’ক্তরা’ষ্ট্রের একটি নামকরা হাই’স্কুল।

অভিভাবকদের নিয়ে এক বৈঠকের পর এমন সি’দ্ধা’ন্ত নেয় প্রতি’ষ্ঠানটি।বৈঠকে সি’দ্ধা’ন্ত হয় ‘স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে জন্মনিরোধক বিভিন্ন কৌশল স’ম্পর্কেপ্রশিক্ষণ দেয়া হবে এবং জ’ন্মনিরোধক বিভিন্ন পন্থা

অবল’ম্বনের জন্য ক’নডমসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা হবে।স্কুলটি যু’ক্তরা’ষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস রাজ্যের চতুর্থ বৃহৎ স্কুল।

এক বছরেই শুধু এই স্কুলের ৫৭ জন কিশোরী শিক্ষা’র্থী গর্ভবতী হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে স্কুল ক’র্তৃপক্ষ যৌ-ন বিষয়ক শিক্ষা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়।

আরো জানুন যারা টেস্টকে প্রাধান্য দেবে, তাদের বেতন বেশি হওয়া উচিত’ টেস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ম্যাচ ফি প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানোর সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির সি’দ্ধা’ন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা।

কাল প্রতিটি সং’স্করণেই ম্যাচ ফি বাড়ানোর সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছে বিসিবি। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির তুলনায় বেশি বেড়েছে টেস্টের ম্যাচ ফি। ম্যাচ ফির সঙ্গে আরও একটি বিষয় ভাবছে বিসিবি।

শোনা যাচ্ছে, এবার খেলোয়াড়দের বেতন কম–বেশি হবে সং’স্করণভেদে।মাশরাফি বিন মুর্তজা মনে করেন, এই সি’দ্ধা’ন্ত সহায়তা করবে টে’স্টে ক্রিকেটারদের

আরও ভালো খেলতে, ‘খুব ভালো সি’দ্ধা’ন্ত। যারা তিন সং’স্করণই খেলবে, তাদের বেতন বেশি হবে। এমনকি যারা টে’স্ট ক্রিকেটকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তাদের বেতন বেশি হওয়া উচিত।

তাহলে হয়তো টে’স্ট ক্রিকেটে আমাদের পারফরম্যান্স পরিবর্তন হতে পারে। আমরা শুনি যে টেস্ট (অনেক ক্রিকেটার) খেলতে চায় না। বেতনের ভেতরে থাকলে ওই তাড়নাটা আসবে যে আমি শুধু টেস্ট খেলব, অন্য সবার চেয়ে বেশি বেতন পাব।’

কোন সংস্করণে কে কত বেতন পাবেন, বিসিবি এটা না জানালেও কাল ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, টেস্টে ম্যাচ ফি ৬ লাখ করা হয়েছে।

ওয়ানডেতে ৩ লাখ ও টি-টোয়েন্টিতে ২ লাখ টাকা। ম্যাচ ফি বাড়ানোর সি’দ্ধা’ন্তে বিসিবি একটা ধন্যবাদ দিলেন মাহমুদউল্লাহ, ‘বোর্ডকে ধন্যবাদ।

এতে অবশ্যই টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি সবার আগ্রহ বাড়বে। আমি বলছি না যে আগে আগ্রহ ছিল না। কি’ন্তু দিন শেষে এটা আমাদের রুজিরুটি, আমাদের মূল পারিশ্রমিক এখান থেকে আসে। আমার মনে হয় খেলোয়াড়েরা এখান থেকে আরও উৎসাহ পাবে। স্বাগত জানাই বিসিবির এই সিদ্ধান্তকে।

ক’রোনা ঠে’কাতে হ’স্তমৈ’থুন করার পরাম’র্শ নিউইয়র্কের ‘স্বা’স্থ্য দফতরের!

সারা বিশ্বে ক’রোনা ম’হামা’রীর আকার নিয়েছে। ক’রোনা ভাই’রাস দিনে দিনে ছড়িয়ে পড়ছে , ক’রোনা ভাই’রাসের মারণ থাবা বিশ্বের বহু মানুষের প্রা’ণ কেড়ে নিয়েছে।

বাইরের দেশগু’লিতে ইতিমধ্যে মৃ’ত্যু মিছিল দেখে নিয়েছে মানুষ। বিশেষ করে ইতালিতে ভ’য়াবহতা সবচেয়ে বেশি। দশ হাজার মানুষ এর মধ্যে মা’রা গেছে ইতালিতে। এছাড়াও স্পেন জার্মান, আমেরিকায় একই অবস্থা।

সারা বিশ্ব বি’পর্যস্ত ক’রোনা নিয়ে । সারা বিশ্বে ক’রোনা রুখতে লকডাউন জারি করা হয়েছে , লকডাউনে আমেরিকা স্পেন জার্মানের সাথে ভারতও রয়েছে।

এখনও পর্য’ন্ত সারা বিশ্বে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ২৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে মৃ’ত্যু হয়েছে ৩৪ হাজারের মত।

দিনে দিনে বেড়েই চলেছে ক’রোনা আ’ক্রান্তের সংখ্যা। বিশ্বের কোনো না প্রান্তে প্রতিদিনই কেউ না কেউ আ’ক্রান্ত হচ্ছে। ক’রোনা নিয়ে উ’দ্বি’গ্ন সারা বিশ্ব।

আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যার বিচারে মা’র্কিন যুক্তরা’স্ট্র সবার উপরে এখনও পর্য’ন্ত। সেখানে এখনও পর্য’ন্ত আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৩৭ জন।

প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা। আমেরিকায় এখনও পর্যন্ত মৃ’তের সংখ্যা ২ হাজার ৪৮৫ জন। পরি’স্থিতি ক্রমশ ভ’য়াবহ হচ্ছে মা’র্কিন যুক্তরাস্ট্রে।

ক’রোনা ঠে’কাতে অভিনব পদ্ধতিতে প্রচার করা হচ্ছে মা’র্কিন যুক্তরাস্ট্রে। স’রকারী ও বেস’রকারী উপায় সচেতনতা মুলক প্রচার করা হচ্ছে আমেরিকায়।

এমনই একটা প্রচার নজর কে’ড়েছে নেটদুনিয়ায়। সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমে’ন্ট অব হেলথ অ্যা’ন্ড মে’ন্টাল হাইজিন এর পক্ষ থেকে টুইট করা হয়েছে তাদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে।

এই টুইটে বলা হয়েছে ক’রোনা সং’ক্র’মণ ঠে’কাতে যৌ’নস’ঙ্গ’ম বা যৌ’ন সংস্পর্শ করতে বারণ করা হয়েছে। যৌ’ন স’ঙ্গ’মের পরিবর্তে হ’স্তমৈ’থুন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে টুইটে।

টুইটে লেখা হয়েছে ‘আপনার সুরক্ষিত যৌ’নস’ঙ্গী হল আপনার হাত, হ’স্তমৈ’থুনে ছড়াবে নাএছাড়াও স্বা’স্থ্য দফতর থেকে আলি’ঙ্গন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

মেয়েদের সে’ক্স উঠলে জা করে!

বিয়ে হয়েছে বেশ অনেকদিন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার ‘স্ত্রীর যৌ’ন উ’ত্তেজনা বুঝতে পারি না। মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে। সে যৌ’ন মিলনে আনন্দ পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায় নেই। সে কখনো নিজে থেকে আমার কাছে আসে না, আমি আহবান করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই যেন আসে। কীভাবে বুঝব ‘স্ত্রী যৌ’ন উ’ত্তেজিত কিনা? কিংবা কীভাবে বুঝব যৌ’ন মিলনে সে আ’গ্রহী কিনা?

উত্তরঃ- নারীদের যৌ’ন উত্তেজনার বেশ কিছু লক্ষণ আছে। একজন নারী যৌ’নতার আ’গ্রহে উ’ত্তেজিত হলে তাঁর যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে উঠবে, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। কিন্তু এর বাইরেও কিছু বাহ্যিক লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকা যৌ’ন মিলনে আগ্রহী।
যেমন-

নারীরা যৌ’ন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট র’ক্তাভ হয়ে ওঠে। ‘স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।
নারীদের গালেও লা’লিমা দেখা দেয় উ’ত্তেজনায়। অনেকে একটু একটু ঘামেন, নিঃ’শ্বাস ভারী হয়ে আসে।
যৌ’ন উ’ত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্প’র্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্প’র্শেই শি’হরিত হয়ে উঠবেন তিনি।

যতই লাজুক ‘স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌ’ন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন। হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আ’লতো স্প’র্শ করবেন, চু’মু খাবেন, চো’খের ইশারায় কথা বলবেন।
প্র’বল উ’ত্তেজনার সময় যৌ’ন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁ’চড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কা’মড় দেবেন উ’ত্তেজনায়।

এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উ’ত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।

এবার আসি আপনার সমস্যার ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌ’ন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্প’র্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে যৌ’ন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে।

এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উ’ত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।

এবার আসি আপনার সমস্যার ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌ’ন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্প’র্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে যৌ’ন মিলনের জন্য প্র’স্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে।

নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস রোগে আ’ক্রা’ন্ত রোগীরা অস্বাভাবিক মাত্রায় শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য একাধিক স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি এই রোগের কারণে স্বামী থাকা কালেও তার অনুপস্থিতে একাধিক পুরুষের স’ঙ্গে শারীরিক স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক নারী। ঠিক একই কারণে সুযোগ পেলেই একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক পুরুষ।

স’ম্প্রতি এমন কয়েকটি প্রমাণ ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়া’ট্রি’ চিকিৎসকদের হাতে এসেছে। তারা এও বলছেন, অনেক সময় এই শারীরিক চাহিদা পূরণের সক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন রকমের মাদকও সেবন করেন তারা।

অতিরি’ক্ত বা অস্বাভাবিক এই কামাসক্তি সমাজের কাছে ‘ব্যাভিচার’ বা ‘চারিত্রিক দোষ’ বলে বিবেচিত হলেও মনস্তত্ত্ববিদ বা মনরোগ বিশেষ’জ্ঞদের মতে এটি একটি মানসিক ব্যাধি, যার নাম নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস।

মার্কিন মনরোগ বিশেষ’জ্ঞ টিমোথি জে লেগ-এর একটি গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার প্রায় তিন কোটি মানুষ এই রোগে আ’ক্রা’ন্ত। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই রোগে আ’ক্রা’ন্ত হলে সেটা কিভাবে শনা’ক্ত করা যাবে সে বিষয়ে আমেরিকান সাইকোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশন এর গবেষকরা এখনো কোনো সি’দ্ধা’ন্তে পৌঁছাতে পারেননি। এছাড়াও কেন এই রোগ মানুষের মনে বাসা বাঁধে আর অস্বাভাবিক বা বিকৃত যৌ’ন আসক্তি তৈরি করে সে স’ম্পর্কেও তেমন কোনো কারণ নির্দি’ষ্ট করে বলতে পারেননি তারা।

গরমকালে পারফিউম ছাড়া বাইরে বের হওয়ার কথা ভাবতেও পারেন না অনেকে! সাজগোজের পর পারফিউম না মাখলে কি হয়? তবে পারফিউম দিতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে ফেলেন, তারা শরীরের ভুল জায়গায় পারফিউম দেন, যাতে উল্টো ক্ষতিই হতে পারে। জেনে নিন শরীরের যেসব জায়গায় পারফিউম না দেওয়াই ভালো১) চোখ

এটা আসলে বলে দিতে হয় না। চোখে পারফিউম দেওয়ার মতো বোকামি করবে না কেউই, কিন্তু ভুলেও যদি চোখে পারফিউম চলে যায় তাহলে দ্রুত অনেক বেশি পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতে হবে। কারণ পারফিউমে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত অ্যালকোহল বা ‘স্পিরিট থাকতে পারে, এতে চোখে জ্বলুনি ও চুলকানি হতে পারে

২) চুল
চুলে যে কোনো গ’ন্ধ–ভালো বা খারাপ- অনেক সময় ধরে রয়ে যায়। এ কারণে চুলে পারফিউম দিলে অনেকটা সময় সুগন্ধ রয়ে যাবে, তা ভাবতে পারেন আপনি। আসলে কিন্তু পারফিউমে অ্যালকোহল থাকলে তা চুলের ক্ষতিই করতে পারে।

বিশেষ করে পারফিউমটা সরাসরি তো চুলে স্প্রে করাই যাবে না। বরং হেয়ারব্রাশে পারফিউম ‘স্প্রে করে তা দিয়ে আলতো করে চুল আঁচড়ে নিতে পারেন
পারে। তাই সেখানে পারফিউম ব্যবহার করা যাবে না।

আবারও ভা’ইরাল হল, ক্লা’সের ম’ধ্যেই অ’ন্তরঙ্গ অ’বস্থায় ছাত্র-ছাত্রীর গো’পন ভিডিও!

ঘটনাটি ঘটেছে ভার’তের মগরার একটি ‘স্কুলে। ইটিভি ভারত নামের গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়া সংবাদে আরও বলা হয়েছে, দুই ছাত্র-ছাত্রী খুবই ঘনি’ষ্ঠ অ’বস্থায় রয়েছে।

সেই দৃশ্য ভিডিও করছে আরো কয়েকজন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।

ক্লাসরুমের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রী অন্তরঙ্গ অব’স্থায় ছিল। সেই মু’হুর্তে ভিডিও করছিল ক্লা’সের কয়েকজন। পরে কে বা কারা ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর তা ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায় ওই স্কুলে।

একপর্যা’য়ে অন্য শিক্ষার্থীদের অ’ভিভাবকদেরও চোখে পড়ে তা। সকালে অভিভাবকরা একজোট হয়ে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ করেন।

অ’ভিযুক্ত ছাত্র-ছাত্রীকে ব’হিষ্কার করারও দাবি তোলা হয়।স্কু’লের প্রধান শিক্ষক জানান, ওই দুই শি’ক্ষার্থীকে এরইমধ্যে বহি’ষ্কার করা হয়েছে।

তবে, ভ’বিষ্যতের কথা ভেবে কেবল টেস্ট প’রীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে তাদের। ক্লা’স করতে দেওয়া হবে না। প্রধান শি’ক্ষক বলেন, আমাদের স্কুল যথেষ্ট ঐ’তিহ্যবাহী। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ মানা যায় না।

স্কু’লের সাবেক শিক্ষার্থী ও অ’ভিভাবকরাও এই ঘটনায় উ’দ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের কথায়, আমরাও পড়াশোনা করেছি।

আমাদের ছেলে-মেয়েরাও পড়ছে। এই ধরনের ঘটনা সামনে আসায় চমকে যা’চ্ছি। স্কু’ল ক’র্তৃপক্ষকে আরো ক’ঠোর হতে হবে।

স্কু’লে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং কেউ মোবাইল নিয়ে ধরা পড়লে তার বি’রুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

প্রত্যেক ক্লা’সরুমের বাইরে সিসিটিভি আছে। এবার আমরা ক্লা’সরুমের ভেতরেও সি’সিটিভি লাগানোর ব্য’বস্থা করব।

এবার ভা’ড়া‍য় পাওয়া যাবে বউ,আবার ছে’ড়েও দিতে পারবেন ইচ্ছে মত!

 

মধ্যপ্রদেশের শিবপুরি জে’লার এই গ্রামের অব’স্থান। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এমন নিয়ম চলছে। অবশ্য এই কাজে তাদের কোনো আ’পত্তি নেই। বিষয়টি এখন তাদের কাছে বৈধ।

এ প্রথাকে স্থানীয় ভাষায় ‘ধাদিচা’ বলা হয়।বউ ভাড়া নেয়ার বিষয়টি এখন গ্রাম্য আইনে বৈধতা দেয়া হয়। সরকারি স্ট্যা’ম্পে চু’ক্তিপত্র করা হয়।উভয় পক্ষ সেখানে স্বা’ক্ষর করে।

এরপর চু’ক্তি কা’র্যকর হয়। বউ নিয়ে আম’রা অনেক সময় অনেক শিরোনাম পড়ে থাকি।এবারের শিরোনামটাও এর ব্যতিক্রম নয়। অ’বাক হলেও সত্যি বউ ভাড়া দেয়া হয় ভারতের একটি প্রদেশে।

বিয়ে করা তাদের কাছে বেশ ঝামেলা! কোনো নারীকে বিয়ে করে ‘স্থায়ীভাবে দায়ব’দ্ধ হতে চায় না। তাই বউ ভাড়া করে দা’ম্পত্য জীবন কা’টান গ্রামের পুরুষরা!

এমন বিস্ময়কর গ্রাম রয়েছে ভারতে। নতুন আ’ইনঃ পুরুষদের ন্যূনতম ২ টি বিয়ে, না করলে যাব’জ্জীবন জে’ল আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সম’স্ত পুরুষকে

ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে,যা আ’ইনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সিদ্ধান্তে আপত্তি করে, তা হলে শা’স্তি হবে যা’বজ্জীবন জে’ল।একে চন্দ্র, দুয়ে পক্ষ।এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বা’ধ্যতামূলক।

এমনই আ’জব আ’ইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার।আরবিক দেশগুলির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আ’জব আ’ইন জারি করা হয়েছে।

রীতিমতো ধ’র্মীয় আই’নের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি।সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে

এর আগে দী’র্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যু’দ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া।’ক্রমশ পু’রুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ।

তাই দেশের ‘স্বার্থেই এই আ’ইন বলবৎ করল সরকার। প্রস’ঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষ’ট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুতি এবং অন্য এক দিকে লোহিত সাগর। দেশটি ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রা’ষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।

নতুন আ’ইনঃ পুরুষদের ন্যূনতম ২ টি বিয়ে, না করলে যাব’জ্জীবন জে’ল!

আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সমস্ত পুরুষকে ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে,যা আ’ইনে স্প’ষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সি’দ্ধা’ন্তে আপত্তি করে, তা হলে শা’স্তি হবে যা’বজ্জীবন জে’ল।একে চ’ন্দ্র, দুয়ে পক্ষ।এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বা’ধ্যতামূলক।

এমনই আ’জব আ’ইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার।আরবিক দেশগুলির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আ’জব আ’ইন জারি করা হয়েছে। রীতিমতো ধ’র্মীয় আই’নের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি।সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে।

এর আগে দী’র্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যু’দ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া।ক্রমশ পু’রুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ। তাই দেশের ‘স্বার্থেই এই আ’ইন বলবৎ করল সরকার। প্রসঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুতি এবং অন্য এক দিকে লোহিত সাগর। দেশটি ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।

আরো পরুন নারীরা দু’র্বল হয়ে যায় পুরুষের মধ্যে জা দেখলে শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূতিও। নারীর হৃদয় জয়ে সফল হতে হলে এসব পুরুষালি গুণের চর্চায় মনোযোগী হতে পারেন আজ থেকেই।

পড়ুন এমন পাঁচটি গুণের কথা-
১) ফিটফাট থাকুন: নারীরা দী’র্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে

ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খা’মখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।

আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখুন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘স’ন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।

৩) মুখে হাসি ফোটান: রসবোধ থাকাটা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে থাকার মতো যথে’ষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।

তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বিষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখুন।

৪) তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান: নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন। তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একস’ঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল

রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।

৫) ও চোখে চোখ পড়েছে: যখনই তাঁর চোখে চোখ রেখে তাকান। মিষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূতি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে পারে তাঁর। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

ছাত্রকে ধ’র্ষণ করে ভিডিও করলেন শিক্ষিকা!

নাবালক ছাত্রকে ধ’র্ষণের পর ভিডিও ধারণের অভিযোগে মল্লি ভারকা’ম্প (২৭) নামে শিক্ষিকাকে আটক করেছে পুলিশ।

মল্লি ভারকা’ম্প গত বৃহ’স্পতিবার যু’ক্তরা’ষ্ট্র পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, এক ছাত্রের স’ঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক স’ম্পর্ক ‘স্থাপনের ভিডিও ধারণ করেছেন ওই শিক্ষিকা।

এছাড়া আরেক ছাত্রকে আপত্তিকর বার্তা পাঠানোরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরু’দ্ধে।

এর আগে গত বছরের মে মাসে ওই শিক্ষিকার বিরু’দ্ধে ধ’র্ষণের অভিযোগ ওঠে।

জানা গেছে, নিজের ছাত্রকে ধ’র্ষণ করে ভিডিও ধারণ ও অন্য ছাত্রকে আপত্তিকর বার্তা পাঠানোর অভিযোগ পেয়েই তদ’ন্তে নেমেছিল যু’ক্তরা’ষ্ট্রের পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আরেক ছাত্রকে এক বার্তায় ওই নারী শিক্ষিকা লিখেছেন, তার বাড়িতে গিয়ে শারীরিক স’ম্পর্কে জড়াতে হবে।

বর্তমানে শিক্ষিকাকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে রাখা আছে। তিনি জামিন চাইলে ১০ হাজার ডলার লাগবে।
শিক্ষকতার বাইরেও তিনি যোগ ব্যায়াম করাতেন।

বিয়ে হলেও পরে তিনি ‘স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। অভিযোগ ওঠার পর তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ২০১৯ সালেই।
সূত্র: ডেইলি মেইল

সাহেদকে ঋ’ণ দিয়ে এখন ঘুরছে ৯ ব্যাংক!

প্রথমে ব্যাংকগুলোতে ছোট অ’ঙ্কের আমানত হিসাব খুলতেন। এরপর ক্রেডিট কার্ড নিতেন। পরপরই করতেন ঋণের আবেদন। এখন ‘ক্রেডিট কার্ড সব কটিই খেলাপি। আমানত হিসেবে রয়েছে অ’ল্প কিছু টাকা। আর ‘ঋণ যা নিয়েছেন, তার সবই খেলাপি। টাকা আদায়ে ব্যাংক মা’মলা

করেছে, মা’মলা চলছে। টাকা আর ফেরত দি’চ্ছেন না টাকার অ’ঙ্কে বড় না হলেও আদায়ে তাঁর পেছনে ঘুরছে বেসরকারি খাতের ৯টি ব্যাংক। তিনি মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। আ’লোচিত রিজে’ন্ট হাসপাতা’লের চেয়ারম্যান। ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে এর বাইরে অন্য নামে তাঁর বড় অ’ঙ্কের ‘ঋণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন ব্যা ব্যাংকগুলোর নথিপত্র অনুযায়ী, তাঁর প্রকৃত নাম সাহেদ করিম। বাবা সিরাজুল করিম ও মা মাফিয়া করিম। আবার কোনো ব্যাংকে মায়ের নাম সাফিয়া করিম হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। তাঁর ঠিকানা

ঢাকার আসাদ গেটের ১০৮/১ আসাদ অ্যাভিনিউ।রিজে’ন্টের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপটির অধীনে ছিল রিজেন্ট হাসপাতা’লের উত্তরা ও মিরপুর শাখা। এ ছাড়া সাহেদ করিমের রয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল কলেজ, রিজে’ন্ট ইউনিভা’র্সিটি অব সায়ে’ন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, নতুন কাগজ,

রিজেন্ট কেসিএস ও হোটেল মিলিনা। এর মধ্যে ঢাকা সে’ন্ট্রাল কলেজ ও রিজেন্ট ইউনিভা’র্সিটি অব সায়ে’ন্স অ্যা’ন্ড টেকনোলজির কোনো অ’স্তি’ত্ব পাওয়া যায়নি।আর করো’নায় আ’ক্রান্তদের সেবাদানকারী চিকিৎসকদের অবস্থান অথবা স’ঙ্গনিরোধের জন্য রাজধানীর ২০টি হোটেলের

যে তালিকা করা হয়, তার হোটেল মিলিনা একটি। কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতা’লের ‘স্বা’স্থ্যকর্মীদের জন্য ঠিক করা হয় উত্তরার এই হোটেল। এতে ‘স্বা’স্থ্যকর্মীরা থাকতেন বলে জানা গেছে।ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রিজেন্ট হাসপাতাল ২০১৪ সালে প্রবাসীদের

উদ্যোগে গঠিত এনআরবি ব্যাংক থেকে ২ কোটি টাকা ঋণ নেয়। পাশাপাশি সাহেদ করিম ব্যাংকটি থেকে ‘ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করেন। এখন ঋণের টাকাও খেলাপি, ‘ক্রেডিট কার্ডের বিলও শোধ করছেন না। ফলে টাকা আদায়ে ব্যাংকটি দুটি মা’মলা করেছে। এর মধ্যে একটি সুদসহ

ঋণের ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা আদায়ে ও অন্যটি ক্রেডিট কার্ডের ৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আদায়ে। ব্যাংকটির একজন জ্যে’ষ্ঠ কর্মক’র্তা জানান, সাহেদ করিম ব্যাংক থেকে বড় অ’ঙ্কের টাকা চেয়েছিলেন। ব্যাংক ২ কোটি টাকা প্রদান করে বুঝতে পারে, টাকা ফেরত আসবে না।

এরপর নানা চেষ্টা করে সে টাকাও আদায় করা যায়নি। এ কারণে মা’মলা করতে হয়েছে।এদিকে, য’ন্ত্রাংশ কেনার নামে পদ্মা (সাবেক ফারমা’র্স) ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখা থেকে ২০১৫ সালে ২ কোটি টাকা ‘ঋণ নেয় রিজেন্ট হাসপাতাল। কিন্তু সেই টাকা আর শোধ

করা হয়নি। ব্যাংকটি এখন তাঁর বি’রুদ্ধে ব্যব’স্থা নিতে দু’র্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নথি পাঠিয়েছে। প’দ্মা ব্যাংকের ব্যব’স্থাপনা পরিচালক এহসান খসরু এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই ঋণে অনিয়ম হয়েছে। আম’রা ব্যব’স্থা নিতে দুদকে পাঠিয়েছি। টাকা আদায়ে মা’মলা করা

হবে।’ব্যাংক সূত্রে আরও জানা গেছে, পূবালী ব্যাংক থেকে ১৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনেন সাহেদ করিম। আবার ৫ লাখ টাকা গ্যারা’ন্টি প্রদান করেন। তবে কয়েকটি কি’স্তি দেওয়ার পর আর ঋণ শোধ করেননি। এদিকে গ্যারান্টি দেওয়া ঋণও ইতিমধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে। ফলে

তাঁর কাছে ব্যাংকটির পাওনা প্রায় ২০ লাখ টাকা। এখন টাকা আদায়ে ব্যাংকটি মা’মলা করবে।পূবালী ব্যাংকের এমডি আব্দুল হালিম চৌধুরী এ বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্য’ন্ত গাড়ি ব্যাংকের নামে রয়েছে। টাকা আদায়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া শুরু

হয়েছে। এদিকে রিজে’ন্ট কেসিএস, রিজে’ন্ট হাসপাতাল, অলবার্ট গ্লোবাল লিমিটেড, রিজে’ন্ট আর্কিটে’ক্ট অ্যান্ড ডেভেলপমে’ন্ট, মো. সাহেদ, মোহাম্ম’দ সাহেদ নামে ৮টি হিসাব রয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংকে। এসব হিসাবে জমা রয়েছে প্রায় ১৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে বড় অ’ঙ্কের ঋণ

প্র’স্তাব দিয়েছিলেন ব্যাংকটিতে। তবে ব্যাংকটি তা অনুমোদন করেনি। আর সাহেদ করিম ব্যাংকটি থেকে ক্রেডিট কার্ড নিয়েছিলেন, যার খেলাপি ৮০ হাজার টাকা।এর বাইরে ইউনাইটেড কমা’র্শিয়াল ব্যাংকে ২ লাখ টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংকে ১ লাখ টাকা, ঢাকা ব্যাংকে ৪৪ হাজার, স্ট্যা’ন্ডার্ড

চা’র্টা’র্ড ব্যাংকে ২৪ হাজার টাকা ঋণ খেলাপি হয়ে গেছে। এর সবই ‘ক্রেডিট কা’র্ডের। মা’র্কে’ন্টাইল ব্যাংকেও তাঁর ১ লাখ টাকা মেয়াদি ঋণ রয়েছে বলে জানা গেছে, যা খেলাপি হয়ে পড়েছে।ব্যাংক কর্মক’র্তারা বলছেন, হিসাব খুলে ও ‘ক্রেডিট কার্ড নিয়ে ব্যাংকগুলোর স’ঙ্গে স’ম্পর্ক

ভালো করা শুরু করেছিলেন সাহেদ করিম। কোনো কোনো ব্যাংক থেকে টাকাও নিয়েছেন। কোথাও নিজ নামে, আবার কোথাও ভিন্ন নামে। প্রতারণার কারণে ধ’রা না পড়লে কোনো ব্যাংক বড় বিপদে পড়ে যেত।