এবার মিলল ভিন্ন খবর, সাহেদের কারণেই সংসার ভাঙে অপূর্ব অদিতির!

রুপালী পর্দার তারকাদের বিবাহ বিচ্ছেদ নতুন কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রে বিনোদন জগতের সাংসারিক জীবন দীর্ঘ’স্থায়ী হলেও সংসার ভাঙার সংখ্যাও যেন সমানে সমান।

কারো দুই বছর আবার কারো চার বছর অথবা এরচেয়ে অধিক সময় পর্যন্ত একসাথে সংসার জীবন পার করলেও বিচ্ছেদ হয়ে যায় একটা সময়।

চলতি বছরেও বেশ কয়েকজন তারকার বি’চ্ছেদের খবর প্রকাশ পেয়েছে মিডিয়ায়। যেখানে অন্যতম আলোচিত ছিল জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবং নাট্যকার নাজিয়া হাসান অদিতির বিচ্ছেদ।

গত ১৭ মে অপূর্ব এবং অদিতির বিচ্ছেদের খবর আসে মিডিয়ায়। ডিভোর্স সম্পর্কে তখন মুখ না খুললেও এখন জানা গেছে চা’ঞ্চল্যকর সব তথ্য।

স’ম্প্রতি করোনা টেস্টের ভুয়া রিপো’র্ট দেয়া রিজে’ন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদের কারনেই নাকি ভেঙেছে অপূর্ব এবং অদিতির সংসার।

এমন কথা জানিয়েছে খোদ সাহেদইসাতক্ষীরা থেকে সাহেদকে র‍্যাব আটক করার পর সু’ষ্ঠু তদ’ন্তের জন্য তাকে নেয়া হয় দশ দিনের রিমান্ডে।

আর সেই রিমা’ন্ডেই সাহেদ জানিয়েছে অপূর্ব এবং অদিতির বিচ্ছেদে হাত রয়েছে তার। কিন্তু কীভাবে এতসব হল? এর পেছনের আসল রহস্যই বা কী ছিল?

গোয়ে’ন্দাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ডিভোর্সের সময় অদিতি ভিন্ন কারন দেখালেও এ ব্যাপারে অপূর্ব মুখ খোলেনি তাদের স’ন্তান ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা ভেবেই।

তাই রহস্য থেকে গিয়েছিল সেখানেও। তবে এবার সাহেদ নিজেই জানিয়েছে ঘটনার পেছনের কারন।রিমান্ডে সাহেদ জানিয়েছেন সিনেমা জগতে নামার জন্য তার সামনে

রেখেছিলেন অদিতিকে। আর সাহেদের পাতা সেই ফাঁদে শেষ পর্যন্ত পা দিয়ে নিজের সংসার থেকে বেরিয়ে আসে অদিতি।

যার ফলস্বরূপ ডিভোর্স দেয় অপূর্বকে। এদিকে সাহেদের সাথে অদিতির এমন ঘনি’ষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন অদিতি নিজে। বিষয়টিকে অ’দ্ভুত আখ্যা দিয়ে অদিতি বলেন, “বিষয়টি একেবারেই অ’দ্ভুত। ডিভোর্সের ব্যাপারে আমি কিছুই

বলতে চাচ্ছি না।”উল্লেখ্য, অদিতি এবং অপূর্ব সংসার জীবন শুরু করেন ২০১১ সালে। তবে এরপর ৯ বছর কেটে যাওয়ার পর বিচ্ছেদ ঘটেছে তাদের।সূত্র : city24news.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *