সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অকথ্যা ভাষায় গালি গালাজ এবং হুমকি দিয়ে থাকেন এই জিসান!

বর্তমান যুগে ফেসবুক হয়ে উঠেছে একটি সর্বোচ্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
কেউ কেউ করে অপব্যাবহার এই মাধ্যমটির।

এরই মাঝে বর্তমান ফেসবুক মাধ্যমে কিছু গ্যাং বের হয়েছে, যারা কিছু সংখ্যক লোকের মেসেঞ্জারে যেয়ে বিনা কারনে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে,

তেমনি এই ছেলেটির নাম জিসান,
D.I.C কলেজের ছাত্র ছেলেটি,
এদের গ্যাং সহ এরা ফেসবুকের বিভিন্ন মেসেঞ্জার গ্রুপ থেকে লোকজন নিয়ে কারো সাথে বিনা দ্বিধায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

বিষয়টি সাইবার ৭১ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো।

তরুণ সালমান শাহ ভক্ত রোহান!

আজ বিখ্যাত নায়ক সালমান শাহ এর 24 তম মৃত্যুবার্ষিকী। দেশের প্রখ্যাত নায়ক সালমান শাহ মারা যান এই দিনে। সালমানের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত পুরো দেশ।

হয়ত পূরণ হবে না সালমান শাহের অপূর্ণতা। তবে ভালোবাসা থাকবে আজীবন এই প্রিয় নায়ক এর প্রতি সকলের।

অল্প বয়সেই অনেক খ্যাতি অর্জন করেন প্রিয় নায়ক সালমান শাহ। তরুণদের মন জয় করে বিখ্যাত এই নায়ক অনেকটা সবার থেকে আলাদা।

বলিউডের শাহরুখ খান তার সাথে দেখা করার জন্য তাকে তখনকার সময়ে নিয়ে যান বলিউডে। আজ যদি বেঁচে থাকতো এই বিখ্যাত নায়ক তাহলে হয়তো শাহরুখ সালমান খানের মতো খ্যাতি অর্জন করত প্রিয় সালমান শাহ।

তারেই 24 তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে রয়েছে তার ছবি। বিশেষ করে তরুণ ভক্ত রোহান হুসাইন তার ছবি প্রোফাইলে সহ অনেক গ্রুপে কভার দিয়ে রেখেছেন।

রোহান হোসেনের ভাষ্যমতে প্রিয় নায়ক সালমান শাহ এরকম নেতা কেউ পূরণ করতে পারবে না।

কন্যাস’ন্তান হওয়ায় স্ত্রী’কে ছু’রি দিয়ে হ’ত্যা’ কর’লো স্বামী!

জামালপুরের দেওয়ানগ’ঞ্জ উপজেলায় কন্যাস’ন্তান হওয়ায় ‘স্ত্রীকে উপর্যুপরি ছু’রিকাঘা’তে হ’ত্যা করেছে পাষ’ণ্ড স্বামী।

রোববার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খড়মা খানপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, ৪ বছর আগে একই

ইউনিয়নের গামারিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে খোরশেদ আলমের (৩২) স’ঙ্গে রুবিনার (২৫)

বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ৮০ হাজার টাকা যৌ’তুক নেয় খোরশেদ।নি’হতের পিতা ইদ্রিস আলী জানান, বিয়ের পর

যৌ’তুকের জন্য তার মেয়েকে নি’র্যা’তন করেছে। ৪০ দিন আগে তার একটি কন্যাসন্তান হয়। কন্যাসন্তান হওয়ার পর

প্রায়ই বিভিন্ন ভাষায় গা’লিগা’লাজ ও নি’র্যা’তন করে খোরশেদ।রুবিনার স্বজনরা জানান, কন্যাস’ন্তান প্রস’বের পর

থেকেই রুবিনা তার পিতার বাড়িতে অবস্থান করেছে। রোববার রাতে রুবিনার পিতার বাড়িতে খাবার খায় খোরশেদ। এ সময়

কাছে পেয়ে রুবিনার পেটে উ’পর্যু’পরি ছু’রিকাঘা’ত করে সে। গু’রুতর আ’হত রুবিনাকে দেওয়ানগ’ঞ্জ স্বা’স্থ্য কমপ্লে’ক্সে

নেয়া হয়। তার অব’স্থা আশ’ঙ্কজ’নক থাকায় চিকিৎসকরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ভোর

৪টার দিকে সেখানে চিকিৎসা’ধীন অব’স্থায় রুবিনা মা’রা যান।সোমবার দেওয়ানগ’ঞ্জ মডেল থানায় নি’হ’ত রুবিনার পিতা

ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে মাম’লা দা’য়ের করেছেন।দেওয়ানগ’ঞ্জ মডেল থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম জানান, লাশ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ময়’নাতদ’ন্ত হয়েছে। এ ব্যাপারে মা’মলা হয়েছে। আ’সামি ধ’রার জন্য পুলিশ তৎপ’র রয়েছে।

নিজের মেয়ের মতো করেই দিলেন গৃহক’র্মীর বিয়ে!

রাজধানী রামপুরার বাসি’ন্দা রুমানা মহসীন দিনা নিজের মেয়ের মতো করে জাঁকজমক পরিবেশে গৃহক’র্মীর বিয়ে দিয়ে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

করো’না’ভাই’রাস মহা’মা’রীর মধ্যেই ধুমধাম করে ১০ জুলাই গৃহকর্মী শারমিন আ’ক্তারের বিয়ে দিয়েছেন তিনি।বাসা ও ছাদ রঙিন বাতি দিয়ে সাজানো হয়। মেঝে-সিঁড়িতেও আল্পনা আঁকা হয়।

পার্লার থেকে কনে সাজিয়ে আনা হয়। আগের দিন বাড়ির ছাদে শারমিনের গায়েহলুদের অনু’ষ্ঠান হয়। গান-বাজনা আর হাসি-উল্লাসে বাড়ির লোকজন ও আগতরা আনন্দে মাতেন।

গ্রামীণফোন কোম্পানির কর্মক’র্তা দিনার বাসায় প্রায় ১২ বছর আগে শারমিন গৃহক’র্মী হিসেবে কাজ শুরু করে। এক সবজি বিক্রেতা তাকে দিনার বাসায় দিয়ে যান। দিনার দুই মেয়ে। বড় মেয়ে লাজিনা ও ছোট আমিরা। শারমিন যখন বাসায় আসে তখন আমিরা ছিল খুবই ছোট।

আপু (শারমিন) চলে যাচ্ছে তাই লাজিনা ও আমিরার মন খা’রাপ। কিছুতেই তারা আপুকে হারাতে চায় না। তাদের চোখে জল। আবেগ আ’প্লুত দিনা বলেন, তার দুটি নয়, তিনটি মেয়ে। তার দুই মেয়ে শারমিনকে আপু ডাকে। একইসঙ্গে তারা খাবার খাওয়া, টিভি দেখা ও আনন্দ সবই করত।

দিনা জানান, ১৮ বছর বয়স হওয়ার পর থেকেই শারমিনের জন্য ভালো পাত্রের স’ন্ধান করে আসছি। স্ব’র্ণাল’ঙ্কারসহ বিয়ের যাবতীয় জিনিস কিনে শারমিনকে ভোলায় তার মায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম।

কিন্তু সেখানে বিয়ে না করে শারমিন ঢাকায় চলে আসে। ঢাকার মায়ের (দিনা) পছন্দেই সে বিয়ে করবে। দু’বার পাঠানো হলে দু’বারই সে ঢাকায় চলে আসে।

অবশেষে আমা’র পছন্দেই শারমিনের বিয়ে দিলাম। বর মোহাম্ম’দ ম’ন্জুর রংপুরের ছে’লে। তিনি বলেন, বড় মেয়ের বিয়ে দিলাম আমি।

উন্নতমানের বিয়ের শাড়ি থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সবই তিনি নিজ হাতে কিনেছেন। বিয়েতে ৪০ ই’ঞ্চি রঙিন টিভিসহ অনেক উপহার নিজ হাতে কিনেছেন দিনার স্বামী আজহারুল আকরাম।

শারমিনকে বরের হাতে তুলে দিয়ে দিনা, তার স্বামী ও মেয়েরা কেঁদেছেন, অন্যদেরও কাঁদিয়েছেন। অ’তিথিরাও আবেগ আ’প্লুত হয়ে পড়েন।শারমিনকে বিদায় দিয়ে দিনা বলেন, ঢাকা থেকে অনেক দূরে যাচ্ছে আমা’র মেয়ে…।

কথাগুলো বলেই তিনি কাঁদতে থাকেন। পাশে থাকা তার (দিনা) শাশুড়ি মাহমুদা খাতুন ও মা মালেকা বেগমের চোখেও জল। কারণ শারমিনকে তারাও নিজের নাতনির মতোই দেখেন।

দিনা বলেন, যখন ভাবি শারমিন আমাদের পরিবারে নেই, তখন অনেক ক’ষ্ট হয়। তার অনুপস্থিতি আমাদের ক’ষ্ট দেয়। দুই মেয়ে বারবার খোঁজ নিচ্ছে তাদের আপুকে (শারমিন)।তিনি বলেন, গৃহকর্মীকে যেন কেউ অ’ত্যা’চার-নি’র্যাত’ন না করেন।

কারণ যারা গৃহকর্মীকে নি’র্যা’তন করে সেই পরিবারের সন্তানরা কখনও আদর্শ মানুষ হতে পারে না। গৃহক’র্মীর ওপর নির্যা’ত’নের খবর যখন শুনি-তখন ভাবি মানুষ এত নি’ষ্ঠুর কেন?

এইগুলো সব তা’মাশা, কোন অন্যায় করিনি, আমা’র কিছুই হবে না: ও’সি প্রদীপ!

জে’লে ভাল আছেন ওসি প্রদীপ কুমা’র। শুক্রবার পু’রোদিন বেশ হাসি’খুশি ছিলেন। কুমা’রের ম’তোই ফুরফু’রে মে’জাজে দিন পার করে’ছেন তিনি। জে’ল’কর্মী’দের জানি’য়েছেন, এই’গুলো সব বো’গাস! সব তামা’শা। তিনি কোন অ’ন্যা’য় ক’রে’ননি। তার কিছুই হবে না।

তিনি জে’লক’র্মীদে’র স’ঙ্গে হা’সিখু’শি কথা ব’লেছে’ন। তাদের কা’ছে শুধু একা থা’কা’র সুবি’ধা চে’য়েছে’ন। বলে’ছেন, আ’মা’র রু’মে আমি’ একা থা’ক’তে চা’ই। আমা’র স’ঙ্গে আর কা’উ’কে দেবেন না।

জে’ল সু’পার মো. মোকা’ম্মে’ল হোসেন এক প্রশ্নে’র জবা’বে জা’নান, জে’লে একা থা’কা’র সু’যো’গ আছে। তা’ছা’ড়া তা’রা রি’মা’ন্ডে’র আ’সা’মী।

উ’র্ধ্ব’তন ক’র্তৃপ’ক্ষের নি’র্দে’শে স’বা’ইকে আ’লা’দা করে রা’খা হয়ে’ছে। তবে এখন প’র্য’ন্ত’ তা’দের রি’মা’ন্ডে’র জন্য বাইরে নিয়ে যা’ওয়া হ’য়নি।

প্রদী’পের হা’তে নি’র্যা’তি’ত ও জে’লে অ’ন্তরী’ণ সাংবা’দিক ফ’রিদু’ল মো’স্তফা খান ও ওসি প্র’দীপে’র উ’ত্ত’প্ত বা’ক্য বি’নিম’য়- এমন এক’টি সংবা’দে’র দৃ’ষ্টি আ’ক’র্ষণ করা হ’লে তিনি ওই সংবা’দ স’ঠিক নয় বলে জা’না’ন। ব’লেন, দু’জন দু’ই জা’য়গা’য় থা’কেন। একজনের সঙ্গে আ’রেক’জ’নের দেখা সা’ক্ষা’তের কোন সু’যো’গ নেই।

নাম প্রকাশ না ক’রার শ’র্তে এক জে’লক’র্মী জা’নান, ওসি প্রদীপ কু’মা’র দা’শের হা’সি’মাখা চে’হা’রা দেখে বো’ঝা’র উপায় নেই তি’নি চা’ঞ্চ’ল্যক’র মেজর (অব.) সিনহা মো’হাম্ম’দ রাশে’দ হ’ত্যা’ মা’ম’লা’য় জে’লে আ’ছে’ন।

শু’না’নির দি’ন আ’দাল’ত ভ’ব’নেও হা’খু’শি ছিলেন ওসি প্র’দীপ। এ’কজ’ন আ’ইনজী’বী জানি”য়েছেন, আ’দা’লত ভব’নে ওসি প্রদীপ যত’ক্ষ’ণ ছি’লেন, হা’সি-ঠা’ট্টা করে স’ময় পা’র ক’রে’ছেন।

গত ৩১শে জু’লা’ই খু’ন’ হ’ওয়া মে’জর (অব.) সিনহা মো. রা’শেদ খা’নে’র ব’ড়’বো’ন ও মো. শাম’সুজ্জামা’নে’র স’হধ’র্মিণী শার’মি’ন শাহ’রি’য়া ফে’র’দৌস (৪২) বা’দী হয়ে প্র’দীপ কুমা’র দাশ, লিয়া’ক’ত আ’লী’সহ ৯ জনকে আ’সা’মী করে টেক’নাফ সি’নিয়’র জু’ডিসি’য়াল ম্যাজি’স্ট্রেট আ’দা’লতে গত ৫ই আগস্ট সকা’লে হ’ত্যা’ মা’ম’লা দা’য়ে’র করেন।

পরে একই আ’দা’লতে’ মা’ম’লার ত’দ’কা’রী ক’র্মক’র্তা (আইও) এর আ’বেদনে’র পরি’প্রে’ক্ষিতে আ’দালত আ’সা’মী প্রদীপ কুমা’র দাশ, লি’য়াকত আলী ও ন’ন্দ’লাল র’ক্ষি’তকে ৭ দিন ক’রে রি’মা’ন্ড মঞ্জুর ও বাকী’ ৫ আ’সা’মীকে ২ দিন জে’ল গেটে জি’জ্ঞাসা’বা’দ ক’রার আ’দে’শ দেন।

শু’ক্রবার এক আদে’শে সাবে’ক’ ওসি প্র’দীপ কুমা’র দা’শ ও বা’হার’ছরা পু’লি’শ ত’দ’ন্ত কে’ন্দ্রের প্র’ত্যা’হা’রকৃত ই’ন্স”পেক্ট’র লি’য়াকত আ’লীকে পু”লিশ সদ’র দ’প্তর থেকে এবং জে’লে যাওয়া অব’শিষ্ট ৫ জন’কে পু’লি’শ সুপা’র ব’র’খা’স্ত করেছে’ন।

টা,না ৫ ঘণ্টা শা’রী`রিক স’ম্পর্কের পর প্রা’ণ গেল ত`রুণীর!

প্রেমিকের স’ঙ্গে নিয়মিত অ`ন্তরঙ্গভাবে মি,লিত হতেন তিনি। তবে এদিন চেয়েছিলেন এবার দীর্ঘ সময় ধরে মিলিত হবেন।করলেনও তাই।

উদ্দা,ম শা*রীরিক স’ম্পর্কে মেতে উঠলেন তিনি। টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে শা*রীরিক স’ম্পর্ক। এর জেরও পোহাতে হয়েছে তার। ঘটনাটি ঘটেছে কলম্বিয়ায়।

৩২ বছরের ওই ত`রুণী ‘দ্য বিস্ট’ নামে পরিচিত। বহুদিন ধরেই এক যুবকের সঙ্গে স’ম্পর্ক ছিল তার।এর আগেও বহুবার প্রেমিকের সঙ্গে শা*রীরিক স’ম্পর্কে লি’প্ত হয়েছেন তিনি।

এদিন তার পরিকল্পনা ছিল দীর্ঘক্ষণ ধরে শা*রীরিক স’ম্পর্কে লি,প্ত হওয়ার।কলম্বিয়ার সাউর্দান কালিতে একটি হোটেলে উঠেছিলেন তারা। অ’তিরি’ক্ত নে’শাও করেছিলেন। খাওয়া-দাওয়ার পর সোজা বিছানায় চলে যান তরুণ-ত`রুণী।

একে অ’পরের সঙ্গে শা*রীরিক স’ম্পর্কেও লি’প্ত হন। প্রায় পাঁচ ঘ,ণ্টা ধরে উদ্দাম যৌ’নতায় মেতে ওঠেন তারা। দীর্ঘক্ষণ পর বিছানাতেই অ’সুস্থ বোধ করেন ত`রুণী।তার প্রেমিককে অ’সুস্থতার কথা জানান। তড়িঘড়ি হোটেলের জরুরি নম্বরে ফোন করেন ওই যুবক।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে হোটেল কর্মীরা দেখেন এক্কেবারে ন’গ্ন অবস্থায় বিছানায় শুয়ে রয়েছেন ওই ত`রুণী। পাশেই রয়েছেন যুবক। তার অবস্থাও প্রায় একই রকম।স’ঙ্গে সঙ্গে গাড়ি ডা’কা হয়। কোনোক্রমে ওই নারীকে হোটেল থেকে উ’দ্ধার করে স্থানীয় হা*সপা*তালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে ততক্ষণে চি,রতরের জন্য অ’চেতন হয়ে পড়েছেন ‘দ্য বিস্ট’ নামের ওই ত`রুণী। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানিয়ে দেন যে মা’রা গিয়েছেন তিনি।খবর পেয়ে পু’লিশ হা*সপা*তালে পৌঁছায়।

ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ময়নাত’দন্তে পাঠানো হয়। ময়নাত’দন্ত রি,পোর্টে মিলেছে ওই নারীর শ`রীরে অ’তিরিক্ত ড্রা’গের নমুনা।

প্রাথমিক ত’দন্তে পু’লিশের অনুমান, যৌ’নক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অ’তিরিক্ত ড্রা’গ নিয়েছিলেন ওই ত`রুণী।তার জেরেই টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলের ঘরে উদ্দাম যৌ’নতায় মাতেন তিনি। তবে ওই ত`রুণী রোজই ড্রা’গ নিতেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পু’লিশ।

এছাড়াও এই মৃ’ত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তাও জানার চেষ্টা করছেন ত’দন্তকারীরা।নি’হত ওই ত`রুণী স্বেচ্ছায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে শা*রীরিক স’ম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন কি না, তা জানতে ইতোমধ্যেই ওই যুবকের সঙ্গে কথাবার্তা বলাও শুরু করেছে পু’লিশ।

ক,রো,নায় আ,ক্রা,ন্ত হয়ে হাসপাতালে সানাই, সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন সবার কাছে!

ক’রোনাভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন দেশের শোবিজ অ’ঙ্গনের অন্যতম সমালো’চিত মডেল সানাই মাহবুব।

শারীরিক অবস্থা খারা’প হওয়ায় তিনি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিষয়টি নি’শ্চিত করেছেন সানাই মাহবুব নিজেই।
সবার কাছে নিজের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন তিনি।

সানাই বলেন, দুই সপ্তাহ আগে আমার শরীরে ক’রোনার ল’ক্ষণ দেখা দেয়।

আত’ঙ্ক নিয়েই নমুনা পরীক্ষা করিয়েছিলাম। অবশেষে বুধবার ফলাফল এসেছে আমি কো’ভিড-১৯ প’জিটিভ।

আমি দোয়া চাই ভ’য়ংকর এই ভাইরা’সের হাত থেকে যেন মু’ক্ত হতে পারি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপে’শাদার এবং অ’প্রাস’ঙ্গিক ভিডিও প্রকাশ করে আ’লোচনায় আসেন সানাই মাহবুব। র‌্যা’ম্প মডেল দিয়ে তার শোবিজ অঙ্গনে যাত্রা শুরু।

এরপর ‘প্রেমের তাজমহল’ খ্যাত নির্মাতা গাজী মাহবুবের ছবি দিয়ে চল’চ্চিত্রে নাম লেখান। কাজ করেছেন মিউজিক ভিডিও, টেলিফি’ল্ম ও ওয়েব সিরিজে।

আট বছর ধরে স’ন্ন্যাসী হওয়ার প্রশি’ক্ষণ নিয়ে হয়ে গেলেন প’র্নস্টার!

ইউডি পিনেডা। কলম্বিয়া তোলপাড় ২৮ বছরের এই মহিলাকে নিয়ে। ১৩ জানুয়ারি মুক্তি পাবে তাঁর প্রথম প’র্নছবি।

পিনেডার ভাষায়, ‘আর্টিস্টিক প’র্নফিল্ম’। কি’ন্তু এই পিনেডার অ’তীত কিন্তু একেবারেই অন্যরকম। সেই ইতিহাসের পাতাগুলোতেই চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

দশ বছর বয়সেই তিনি কনভেন্ট স্কুলে পাড়ি দিয়েছিলেন সন্ন্যাসিনী হবেন বলে। ইউডির কথায়, ‘কনভেন্ট স্কুলে জীবনটা খুব আনন্দের সঙ্গেই কা’টাচ্ছিলাম।’ জীবন যখন আনন্দেই কাটছিল, তখন আবার আট বছর কনভেন্ট স্কুলে থাকার পর মত পরিবর্তন কেন?

কারণ ১৮ বছর বয়সে সেখানেই প্রে’মে পড়ে যান এক ধ’র্মীয় প্রশিক্ষকের। আর প্রে’মে পড়া মাত্রই গতে বাঁ’ধা জীবন থেকে একটু বেরতে চাইছিলেন তিনি। তখনই কনভেন্টের গণ্ডি পেরিয়ে অন্য কিছু করবেন বলে মন’স্থির করেন কল’ম্বিয়ার ইউডি পিনেডা।

কল’ম্বিয়ার শহর মেডেল্লিনে চলে আসেন তিনি। ‘নেসলে’ কোম্পানিতে চাকরিও জোগাড় করে ফেলেন। কিন্তু ইউডির মন বলছিল এক, আর তিনি দিনের পর দিন করে যাচ্ছিলেন আর এক।

এক দিকে প্রে’ম। আর এক দিকে চাকরি জীবন। দু’য়ে মিলে টালমাটাল জীবন নিয়ে জেরবার হয়ে যাচ্ছিলেন ইউডি। হঠাৎই খবর পান জুয়ান বুস্টোস নামের এক ভদ্রলোক মডেলের খোঁজ করছেন নিজের অ্যাডাল্ট ওয়েব পোর্টালের জন্য। খবর পাওয়া মাত্রই, জুয়ান বুস্টোসের দলে নাম লিখিয়ে নেন ইউডি।

ইউডির কথায়, ‘‘আমি বেশ কিছু অডিশন দিয়েছিলাম। তার পর জুয়ান বুস্টোসের নজরে আসি। অডিশন শেষ হওয়া মাত্র উনি আমাকে ফাইনাল করেন।’’

কিন্তু কোথায় সন্ন্যাসিনী হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, সেখান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প’র্নস্টার? পরিষ্কার ভাবে ইউডি বললেন, ‘‘প্রথম প্রথম একটু খা’রাপ লাগছিল। কিন্তু এখন বেশ ভালই লাগছে।

যখন চার্চে যাই তখনও আমা’র খুব ভাল লাগে। শুক্রবারের প্রার্থনা, শনিবারের জমায়েত এ সবের কিছুই এখন আমি আর মিস করি না।’’

তবে এমনতর জীবিকা বদলের ইচ্ছে ইউডির মুখ থেকে শুনে রেগে গিয়েছিলেন তাঁর কনভেন্ট স্কুলের শিক্ষিকারাও। ইউডির কথা অনুযায়ী, বহু বাধার দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কারও কোনও বারণ শোনেননি অ’ভিনেত্রী।

নবাগতা এই প’র্নস্টার তাঁর নতুন এই কেরিয়ারকে বলছেন, ‘শালীন এবং শৈল্পিক।’ আর বললেন, ‘প’র্ন ছবিতে অ’ভিনয় করার মধ্যে আমি খা’রাপ কিছুই দেখি না।’

কনভে’ন্ট স্কুলের গণ্ডির মধ্যে বেড়ে ওঠা। তাই ইউডির প্রথম ছবির থিম ওই কনভেন্ট নিয়েই। আর ছবিটির প্রযোজনা এবং পরিবেশনা করবেন ‘ব্যাং’ব্রোস’।

অভিনয়ে চা’ন্স পেতে ছেলেরাও প্রযোজকের বিছানায় যায় !

বলিউডের খ্যাতিমান প্রযোজক ও পরিচালক একতা কাপুর।ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বলিউডে এমন কিছু অভিনেতা আছেন যারা কাজ পেতে তাদের যৌ’নতা ব্যবহার করে থাকেন।

কাজ পেতে তারা প্রয়োজনে বিছানায় চলে যান।উপ’স্থাপক বরখা দত্তের এক প্র’শ্নের জবাবে একতা আরো জানান,কেবলমাত্র কেউ ই’ন্ডা’স্ট্রিতে ভাল জায়গায় রয়েছে বলেই কাউকে দো’ষারোপ করা উচিত নয়।

অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও কাজ পেতে নিজেদের শরীরকে ব্যবহার করেন।তিনি যোগ করেন, এই ঘটনা হার্ভে ওযয়েন’স্টেইন পর্য’ন্ত সীমাব’দ্ধ নয়। বলিউডে এমন অনেক পরিচালক বা প্রযোজক আছেন যারা অনেকেই এই যৌ’ন হে’নস্থার শি’কার হয়ে থাকেন।

পাশাপাশি এমন কিছু অভিনেতা বা অভিনেত্রী আছেন তারা স্বে’চ্ছায় নিজেদের যৌ’নতা ব্যবহার করে থাকেন কেবলমাত্র কাজ পাওয়ার আশায়।

আমি বিশ্বাস করি যে শিকারিকে ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে একটি বা’ক্সে রাখা উচিত নয়।তবে এটা সর্বদা সত্য নয় যে, যার ক্ষ’মতা নেই তারাই একমাত্র এই ঘটনার শি’কার হয়ে থাকেন, যোগ করেন একতা।

বিয়ে না করার কারণ জানালেন সালমান! সালমান খানের কথা উঠলেই যেটা সবার আগে মনে পড়ে সেটা হল পঞ্চাশ পেরিয়ে ভাইজান এখনো চিরকুমার। তবে কি বা কন কারণে তিনি এখনো বিয়ের পিড়িতে বসেন নি সেটা ‘স্প’ষ্ট বলেন না এই লাভার বয়।

কি’ন্তু স’ম্প্রতি একটা অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রেমিকাদের ভালোবাসলেও তারা ভালোবাসত না। তাই হয়তো বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি তার। টেলিভিশনের জনপ্রিয় শো বিগ বস ১৩ সিজনে এমনটাই দাবি করলেন সালমান।

শনিবার ও রোববার বিগ বসের মঞ্চে আসেন দীপিকা পাড়ুকোন, ল’ক্ষ্মী আগরওয়াল ও বি’ক্রা’ন্ত মসি। রোববারের পর্বে সালমান সবার সামনেই তার অতীত স’ম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।

দীপিকার স’ঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, যে সালমান তার সব প্রেমিকাদেরই ভালোবাসতেন কি’ন্তু কেউ তাকে ভালোবাসত না।সালমান স্বীকার করেছেন যে তার অতীতের প্রেমিকারা ঠিকই করেছেন তাকে ভালো না বেসে।

কারণ তিনি যোগ্য ছিলেন না ভালোবাসার। সালমান প্রতিযোগীদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি ম’ঞ্চে দীপিকা, ল’ক্ষ্মী ও বি’ক্রা’ন্তকে ‘স্বাগত জানান। সেখানে সালমান মজা করেন দীপিকার সঙ্গে।

আবদুর রশিদ সলিম সালমান খান ৫৪ বছরে পা দিলেও এখনো অবিবাহিত। ক্যারিয়ারের শুরু হতেই ভারতীয় চলচ্চিত্রে দাপুটে এ অভিনেতা বলিউডের জনপ্রিয় তিন খানদের অন্যতম।

১৯৮৮ সালে ‘বিবি হো তো এহসি’ চল’চ্চিত্রে একটি গৌণ ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়। এক বছর পরেই ‘ম্যায়নে পিয়ার কিয়া’ নামের ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক সাফল্য পান এবং সেই সময় ফি’ল্মফেয়ার পুর’স্কার অনু’ষ্ঠানে শ্রে’ষ্ঠ নবাগতের পুর’স্কার লাভ করেন। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

সরকারি চাকরির বড় নিয়োগ আসছে!

মহামারি করোনায় চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর। শূন্য পদে বড় ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন। এখানে ৭টি পদে মোট ১৬১ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
পদের নাম: ক্যাটালগার
পদ সংখ্যা : ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

আরও পড়ুন: মৎস্য অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ
পদের নাম: টালি ক্লার্ক
পদ সংখ্যা: ১০ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: ওয়ার্ক অ্যাসিস্টেন্ট
পদ সংখ্যা: ০৮টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

আরও পড়ুন: ৪০ কর্মকর্তা নেবে তিন ব্যাংক
পদের নাম: সেলস্যম্যান
পদ সংখ্যা: ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: ভান্ডার রক্ষক
পদ সংখ্যা: ৫২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
পদের নাম: ক্যাশিয়ার
পদ সংখ্যা: ৬৪টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: পাম্প অপারেটর
পদ সংখ্যা: ২৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://badc.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জনবল নিয়োগ

আবেদন শুরুর সময়: ২২ জুলাই ২০২০ তারিখ সকাল ১০টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ২০ আগস্ট ২০২০ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

মা মুখ চেপে ধরতো,বাবা ধ’র্ষন করতো!

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বাবার কাছে ধ’র্ষণের শিকার হয়েছে এক মাদ্রাসাছা’ত্রী। অ’ভিযোগ উঠেছে মায়ের সহযোগিতায় এই ধ’র্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছে ওই বাবা।স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার রাতে মা-মে’য়েকে থা’নায় নিয়ে গেলে পু’লিশের কাছে বাবার যৌ’ন নি’র্যাতনের বর্ণনা দেয় ওই ছা’ত্রী।

এ সময় সে জানায় ধ’র্ষণ করতে বাবাকে সহযোগিতা করত তারই মা।মে’য়েটি জানায়, তার বাবা গত ২ জুলাই রাতে প্রথমবার তাকে ধ’র্ষণ করে।

একইভাবে আরও ২/৩ বার ধ’র্ষণের শিকার হয় সে। বাবার পা ধরে ক্ষমা চেয়েও ধ’র্ষণের হাত থেকে নিজেকে বাঁ’চাতে পারেনি মে’য়েটি

।সবশেষ গত ১২ জুলাই গভীর রাতে ছোট ভাইবোন নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে আবারও ধ’র্ষ’ণ করতে গেলে সে তার বাবাকে বলে,

কাল আমা’র কোরআন মজিদ পরীক্ষা। আমা’র সঙ্গে খা’রাপ কাজ না করে বিষ খাইয়ে মে’রে ফেলেন। কিন্তু এতেও মন গলেনি বাবা নামধারী ওই পাষণ্ডের।

মে’য়েটি জানায়, সে চি’ৎকার করতে চাইলে মা তার মুখ চেপে ধরতো। ধ’র্ষণের কথা প্রকাশ করলে তাকে গ*লা’টিপে হ’ত্যার পর লা’শ বস্তায় ভরে পুঁতে ফেলারও হু’মকি দিত তার বাবা।

মে’য়েটি আরও জানায়, ঘটনাটি প্রথমে তার দাদীকে বলে। কিন্তু দাদী কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় গত ১৪ জুলাই তার চাচাকে জানায় বিষয়টি।স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. আব্দুল হান্নান বলেন, বৃহস্পতিবার মে’য়েটির চাচার কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর তারা মে’য়ের মুখে অ’ভিযোগটি শোনেন।

পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মে’য়ে ও তার মাকে থা’নায় নিয়ে আসেন তারা।রামগড় থা’নার পু’লিশ পরিদর্শক (ত’দন্ত) মো. মনির হোসেন বলেন, মে’য়ে ও তার মাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

মে’য়েটি একাধিকবার ধ’র্ষণের শিকার হওয়ার অ’ভিযোগ করেছে এবং তার মা’ও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।তিনি আরও বলেন, ধ’র্ষক বাবাকে গ্রে’প্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মা’মলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

চ’মকে যাবেন সুনলে বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয় কেন?

বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয়ে যায় তার কারন হল মেয়েদের শরীরে তখন চর্বি জমতে শুরু করে, এর জন্য ২ টি হরমোন দায়ী, শারীরিক স’ম্পর্কের কারনে মেয়েলী হরমোন ২ টি বাড়ে, এই হরমোন খাদ্য থেকে চ’র্বি শোষণ হওয়ার পর দেহে জমাতে থাকে যে জন্য একজন বিবাহিত মেয়ে সহজেই মোটা হয়ে জায়, নিয়মিত বেয়াম করলে চর্বি না জমে তা ক্ষয় হয়

সব নারীরাই বিয়ের পরপরই মোটা হতে থাকেন। কেন, কিভাবে মোটা হচ্ছে না বুঝেই অনিয়ম করে শরীর আরো ভারি করে ফেলেন। আসুন কারণগুলো জেনে নেই এবং মেনে চলার চে’ষ্টা করে শরীরকে ফিট রাখি।

১.গ’র্ভধারণের জন্য: গর্ভধারণের কারণে অধিকাংশ নারী ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ কেজি ওজন এই সময়টায় বেড়ে যায়।

২.ভাজা খাবার এবং তেল জাতীয় খাবার: বিয়ের পর বিভিন্ন দাওয়াতে গিয়ে বা বাড়িতে অতিথি এলে ভাজা খাবার এবং তেল জাতীয় খাবারগুলোই বেশি খাওয়া হয়। এ কারণে ওজন দ্রুত বেড়ে যায়। আবার অনেক মেয়েই নতুন নতুন রেসিপি রান্না করে পরিবারের লোকজনকে খাওয়াতে ভালোবাসেন। এটিও ওজন বাড়ার একটি বড় কারণ। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, পরিবারের সবাইকে ভালো ভালো খাবার খাওয়াতে ভালোই লাগে, তবে এর মানে এই নয় যে, আপনাকেও সে সব খাবার চেখে দেখতে হবে!

৩. আলস্য: অলস লোকেরা শুধু খায় আর ঘুমায়। শরীরকে ফিট এবং ক’র্মক্ষম রাখার জন্য আর কোনো কাজ করে না। বিয়ের পর অনেকে ব্যস্ত হয়ে পড়ে আবার অনেকে নিজের প্রতি এতই অবহেলা দেখায় যে শরীরের য’ত্ন নেয় না। বিয়ের পর ওজন বাড়ার বড় কারণ এই আলস্য।

৪. বাইরের খাবার: বিয়ের পর মেয়েদের ওজন বেড়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ রান্না এড়িয়ে যাওয়া এবং বাইরের খাবার খাওয়া। অনেকেই বিয়ের পর রান্নার ক্ষেত্রে অতটা পটু থাকেন না, তখন বাইরের খাবার হয় ভরসা। বাইরের খাবার বা হোটেলের খাবারে প্রচুর তেল দেওয়া হয়। এই অস্বাস্থ্যকর খাবার ওজন বাড়িয়ে দেয়।

৫.সঠিক খাদ্যাভ্যাস না মানা: বিয়ের আগে আকর্ষণীয় ফিগারের অধিকারী হতে অনেক মেয়ে কঠিন ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস মেনে চলে। চর্বিযু’ক্ত খাবার, কার্বোহাই’ড্রেট জাতীয় খাবার, ফাস্ট ফুড সব কিছুতেই তখন তাদের ‘না’ থাকে। ওজন নিয়’ন্ত্রণের জন্য সব সময়ই একটা তাগিদ থাকে। তবে অনেকেই বিয়ের পর এই খাদ্যাভ্যাস আর ঠিকমতো মেনে চলতে পারে না।

৬. জ’ন্মনিয়’ন্ত্রক প’দ্ধতি: জ’ন্মনিয়’ন্ত্রক প’দ্ধতি গ্রহণ যেমন পিল বা ইনজেকশন এসব গ্রহণের কারণেও বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয়ে যায়।

৭.নিজেদের কাছে বেশি সময় থাকতে চাওয়া: অনেক স্বামীই রয়েছেন, যারা বেশি সময় ধরে ‘স্ত্রীর স’ঙ্গ পছন্দ করেন। যার জন্য হয়তো স্ত্রীর আর ব্যায়াম করা হয়ে ওঠে না। পর’স্পরের বোঝাপড়ার জন্য এটি অবশ্যই ভালো। তবে ‘স্বা’স্থ্যকেও তো গুরুত্ব দিতে হবে। তাই স্বামীকেও উ’দ্বু’দ্ধ করুন আপনার স’ঙ্গে ব্যায়াম করতে। অথবা দুজনে একত্রে কোনো জিমে ভর্তি হয়ে যেতে পারেন।

৮.নিজের জন্য সময় নেই: বিয়ের পর নতুন স’ম্প’র্ক, নতুন মানুষজন, সব কিছুর ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তখন গুরুত্ব বদলে যায় বা অগ্রাধিকার বদলে যায়, ফলে নিজের প্রতি আর নজর দেওয়া হয় না, ব্যায়াম তো দূরের বিষয়। বিয়ের পর মুটিয়ে যাওয়া এটি একটি বড় কারণ।

আগে হয়তো ব্যায়ামের জন্য বা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস পালনের জন্য সময় বের করতেন, তবে বিয়ের পর এগুলো আর হয়ে ওঠে না। পরিবারের সদস্যদের সময় দিতে গিয়ে বা সংসারের কাজের ঝামেলায় নিজের জন্য আর সময়ই পাওয়া যায় না। মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা ভেবে তাই নিজের জন্য সময় বের করুন। খাওয়াদাওয়ায় নিয়’ন্ত্রণ আনার চে’ষ্টা করুন।

এবার হাই’স্কুলে বিনামূল্যে ক’নডম দেয়া হবে!

কম বয়সে গ’র্ভবতী হওয়া ঠেকাতে স্কুল শিক্ষা’র্থীদের মাঝে বি’নামূল্যে ক’নডম বিতরণ করা হবে বলে সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছে যু’ক্তরা’ষ্ট্রের একটি নামকরা হাই’স্কুল।

অভিভাবকদের নিয়ে এক বৈঠকের পর এমন সি’দ্ধা’ন্ত নেয় প্রতি’ষ্ঠানটি।বৈঠকে সি’দ্ধা’ন্ত হয় ‘স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে জন্মনিরোধক বিভিন্ন কৌশল স’ম্পর্কেপ্রশিক্ষণ দেয়া হবে এবং জ’ন্মনিরোধক বিভিন্ন পন্থা

অবল’ম্বনের জন্য ক’নডমসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা হবে।স্কুলটি যু’ক্তরা’ষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস রাজ্যের চতুর্থ বৃহৎ স্কুল।

এক বছরেই শুধু এই স্কুলের ৫৭ জন কিশোরী শিক্ষা’র্থী গর্ভবতী হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে স্কুল ক’র্তৃপক্ষ যৌ-ন বিষয়ক শিক্ষা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়।

আরো জানুন যারা টেস্টকে প্রাধান্য দেবে, তাদের বেতন বেশি হওয়া উচিত’ টেস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ম্যাচ ফি প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানোর সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির সি’দ্ধা’ন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা।

কাল প্রতিটি সং’স্করণেই ম্যাচ ফি বাড়ানোর সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছে বিসিবি। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির তুলনায় বেশি বেড়েছে টেস্টের ম্যাচ ফি। ম্যাচ ফির সঙ্গে আরও একটি বিষয় ভাবছে বিসিবি।

শোনা যাচ্ছে, এবার খেলোয়াড়দের বেতন কম–বেশি হবে সং’স্করণভেদে।মাশরাফি বিন মুর্তজা মনে করেন, এই সি’দ্ধা’ন্ত সহায়তা করবে টে’স্টে ক্রিকেটারদের

আরও ভালো খেলতে, ‘খুব ভালো সি’দ্ধা’ন্ত। যারা তিন সং’স্করণই খেলবে, তাদের বেতন বেশি হবে। এমনকি যারা টে’স্ট ক্রিকেটকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তাদের বেতন বেশি হওয়া উচিত।

তাহলে হয়তো টে’স্ট ক্রিকেটে আমাদের পারফরম্যান্স পরিবর্তন হতে পারে। আমরা শুনি যে টেস্ট (অনেক ক্রিকেটার) খেলতে চায় না। বেতনের ভেতরে থাকলে ওই তাড়নাটা আসবে যে আমি শুধু টেস্ট খেলব, অন্য সবার চেয়ে বেশি বেতন পাব।’

কোন সংস্করণে কে কত বেতন পাবেন, বিসিবি এটা না জানালেও কাল ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, টেস্টে ম্যাচ ফি ৬ লাখ করা হয়েছে।

ওয়ানডেতে ৩ লাখ ও টি-টোয়েন্টিতে ২ লাখ টাকা। ম্যাচ ফি বাড়ানোর সি’দ্ধা’ন্তে বিসিবি একটা ধন্যবাদ দিলেন মাহমুদউল্লাহ, ‘বোর্ডকে ধন্যবাদ।

এতে অবশ্যই টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি সবার আগ্রহ বাড়বে। আমি বলছি না যে আগে আগ্রহ ছিল না। কি’ন্তু দিন শেষে এটা আমাদের রুজিরুটি, আমাদের মূল পারিশ্রমিক এখান থেকে আসে। আমার মনে হয় খেলোয়াড়েরা এখান থেকে আরও উৎসাহ পাবে। স্বাগত জানাই বিসিবির এই সিদ্ধান্তকে।

ক’রোনা ঠে’কাতে হ’স্তমৈ’থুন করার পরাম’র্শ নিউইয়র্কের ‘স্বা’স্থ্য দফতরের!

সারা বিশ্বে ক’রোনা ম’হামা’রীর আকার নিয়েছে। ক’রোনা ভাই’রাস দিনে দিনে ছড়িয়ে পড়ছে , ক’রোনা ভাই’রাসের মারণ থাবা বিশ্বের বহু মানুষের প্রা’ণ কেড়ে নিয়েছে।

বাইরের দেশগু’লিতে ইতিমধ্যে মৃ’ত্যু মিছিল দেখে নিয়েছে মানুষ। বিশেষ করে ইতালিতে ভ’য়াবহতা সবচেয়ে বেশি। দশ হাজার মানুষ এর মধ্যে মা’রা গেছে ইতালিতে। এছাড়াও স্পেন জার্মান, আমেরিকায় একই অবস্থা।

সারা বিশ্ব বি’পর্যস্ত ক’রোনা নিয়ে । সারা বিশ্বে ক’রোনা রুখতে লকডাউন জারি করা হয়েছে , লকডাউনে আমেরিকা স্পেন জার্মানের সাথে ভারতও রয়েছে।

এখনও পর্য’ন্ত সারা বিশ্বে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ২৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে মৃ’ত্যু হয়েছে ৩৪ হাজারের মত।

দিনে দিনে বেড়েই চলেছে ক’রোনা আ’ক্রান্তের সংখ্যা। বিশ্বের কোনো না প্রান্তে প্রতিদিনই কেউ না কেউ আ’ক্রান্ত হচ্ছে। ক’রোনা নিয়ে উ’দ্বি’গ্ন সারা বিশ্ব।

আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যার বিচারে মা’র্কিন যুক্তরা’স্ট্র সবার উপরে এখনও পর্য’ন্ত। সেখানে এখনও পর্য’ন্ত আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৩৭ জন।

প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা। আমেরিকায় এখনও পর্যন্ত মৃ’তের সংখ্যা ২ হাজার ৪৮৫ জন। পরি’স্থিতি ক্রমশ ভ’য়াবহ হচ্ছে মা’র্কিন যুক্তরাস্ট্রে।

ক’রোনা ঠে’কাতে অভিনব পদ্ধতিতে প্রচার করা হচ্ছে মা’র্কিন যুক্তরাস্ট্রে। স’রকারী ও বেস’রকারী উপায় সচেতনতা মুলক প্রচার করা হচ্ছে আমেরিকায়।

এমনই একটা প্রচার নজর কে’ড়েছে নেটদুনিয়ায়। সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমে’ন্ট অব হেলথ অ্যা’ন্ড মে’ন্টাল হাইজিন এর পক্ষ থেকে টুইট করা হয়েছে তাদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে।

এই টুইটে বলা হয়েছে ক’রোনা সং’ক্র’মণ ঠে’কাতে যৌ’নস’ঙ্গ’ম বা যৌ’ন সংস্পর্শ করতে বারণ করা হয়েছে। যৌ’ন স’ঙ্গ’মের পরিবর্তে হ’স্তমৈ’থুন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে টুইটে।

টুইটে লেখা হয়েছে ‘আপনার সুরক্ষিত যৌ’নস’ঙ্গী হল আপনার হাত, হ’স্তমৈ’থুনে ছড়াবে নাএছাড়াও স্বা’স্থ্য দফতর থেকে আলি’ঙ্গন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

মেয়েদের সে’ক্স উঠলে জা করে!

বিয়ে হয়েছে বেশ অনেকদিন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার ‘স্ত্রীর যৌ’ন উ’ত্তেজনা বুঝতে পারি না। মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে। সে যৌ’ন মিলনে আনন্দ পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায় নেই। সে কখনো নিজে থেকে আমার কাছে আসে না, আমি আহবান করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই যেন আসে। কীভাবে বুঝব ‘স্ত্রী যৌ’ন উ’ত্তেজিত কিনা? কিংবা কীভাবে বুঝব যৌ’ন মিলনে সে আ’গ্রহী কিনা?

উত্তরঃ- নারীদের যৌ’ন উত্তেজনার বেশ কিছু লক্ষণ আছে। একজন নারী যৌ’নতার আ’গ্রহে উ’ত্তেজিত হলে তাঁর যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে উঠবে, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। কিন্তু এর বাইরেও কিছু বাহ্যিক লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকা যৌ’ন মিলনে আগ্রহী।
যেমন-

নারীরা যৌ’ন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট র’ক্তাভ হয়ে ওঠে। ‘স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।
নারীদের গালেও লা’লিমা দেখা দেয় উ’ত্তেজনায়। অনেকে একটু একটু ঘামেন, নিঃ’শ্বাস ভারী হয়ে আসে।
যৌ’ন উ’ত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্প’র্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্প’র্শেই শি’হরিত হয়ে উঠবেন তিনি।

যতই লাজুক ‘স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌ’ন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন। হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আ’লতো স্প’র্শ করবেন, চু’মু খাবেন, চো’খের ইশারায় কথা বলবেন।
প্র’বল উ’ত্তেজনার সময় যৌ’ন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁ’চড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কা’মড় দেবেন উ’ত্তেজনায়।

এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উ’ত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।

এবার আসি আপনার সমস্যার ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌ’ন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্প’র্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে যৌ’ন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে।

এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উ’ত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।

এবার আসি আপনার সমস্যার ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌ’ন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্প’র্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে যৌ’ন মিলনের জন্য প্র’স্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে।

নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস রোগে আ’ক্রা’ন্ত রোগীরা অস্বাভাবিক মাত্রায় শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য একাধিক স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি এই রোগের কারণে স্বামী থাকা কালেও তার অনুপস্থিতে একাধিক পুরুষের স’ঙ্গে শারীরিক স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক নারী। ঠিক একই কারণে সুযোগ পেলেই একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক পুরুষ।

স’ম্প্রতি এমন কয়েকটি প্রমাণ ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়া’ট্রি’ চিকিৎসকদের হাতে এসেছে। তারা এও বলছেন, অনেক সময় এই শারীরিক চাহিদা পূরণের সক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন রকমের মাদকও সেবন করেন তারা।

অতিরি’ক্ত বা অস্বাভাবিক এই কামাসক্তি সমাজের কাছে ‘ব্যাভিচার’ বা ‘চারিত্রিক দোষ’ বলে বিবেচিত হলেও মনস্তত্ত্ববিদ বা মনরোগ বিশেষ’জ্ঞদের মতে এটি একটি মানসিক ব্যাধি, যার নাম নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস।

মার্কিন মনরোগ বিশেষ’জ্ঞ টিমোথি জে লেগ-এর একটি গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার প্রায় তিন কোটি মানুষ এই রোগে আ’ক্রা’ন্ত। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই রোগে আ’ক্রা’ন্ত হলে সেটা কিভাবে শনা’ক্ত করা যাবে সে বিষয়ে আমেরিকান সাইকোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশন এর গবেষকরা এখনো কোনো সি’দ্ধা’ন্তে পৌঁছাতে পারেননি। এছাড়াও কেন এই রোগ মানুষের মনে বাসা বাঁধে আর অস্বাভাবিক বা বিকৃত যৌ’ন আসক্তি তৈরি করে সে স’ম্পর্কেও তেমন কোনো কারণ নির্দি’ষ্ট করে বলতে পারেননি তারা।

গরমকালে পারফিউম ছাড়া বাইরে বের হওয়ার কথা ভাবতেও পারেন না অনেকে! সাজগোজের পর পারফিউম না মাখলে কি হয়? তবে পারফিউম দিতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে ফেলেন, তারা শরীরের ভুল জায়গায় পারফিউম দেন, যাতে উল্টো ক্ষতিই হতে পারে। জেনে নিন শরীরের যেসব জায়গায় পারফিউম না দেওয়াই ভালো১) চোখ

এটা আসলে বলে দিতে হয় না। চোখে পারফিউম দেওয়ার মতো বোকামি করবে না কেউই, কিন্তু ভুলেও যদি চোখে পারফিউম চলে যায় তাহলে দ্রুত অনেক বেশি পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতে হবে। কারণ পারফিউমে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত অ্যালকোহল বা ‘স্পিরিট থাকতে পারে, এতে চোখে জ্বলুনি ও চুলকানি হতে পারে

২) চুল
চুলে যে কোনো গ’ন্ধ–ভালো বা খারাপ- অনেক সময় ধরে রয়ে যায়। এ কারণে চুলে পারফিউম দিলে অনেকটা সময় সুগন্ধ রয়ে যাবে, তা ভাবতে পারেন আপনি। আসলে কিন্তু পারফিউমে অ্যালকোহল থাকলে তা চুলের ক্ষতিই করতে পারে।

বিশেষ করে পারফিউমটা সরাসরি তো চুলে স্প্রে করাই যাবে না। বরং হেয়ারব্রাশে পারফিউম ‘স্প্রে করে তা দিয়ে আলতো করে চুল আঁচড়ে নিতে পারেন
পারে। তাই সেখানে পারফিউম ব্যবহার করা যাবে না।

আপন বড় ভাইকে বিয়ে করল বোন স্বা’মী ও দুই ছেলেকে রেখে।

জয়পুরহাট জে’লার ক্ষেতলাল উপজে’লার নিশ্চিতা তারাকুল গ্রামের এক গৃহবধূ আপন বড় ভাইয়ের প্রেমে দিওয়ানা হয়ে স্বামী ও দুই ছেলেকে রেখে পালিয়ে গেলেন।

ন্যা’ক্কারজনক এ ঘটনায় সারা এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর বাবা তার মেয়েকে ত্যাজ্য করেছেন।স্বামীর ঘর ছেড়ে যাওয়া গৃহবধূর নাম রাজিয়া সুলতানা। তার বাবার নাম আব্দুর রশিদ।

আব্দুর রশিদ তার ছোট মেয়ে রাজিয়া সুলতানাকে জয়পুরহাটের বিশ্বা’স পাড়ার বাবুল হোসেনের ছেলে মো. মজনু হোসেনের স’ঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেন। বিয়ের পর তার মেয়ের ঘরে দুই ছেলেরও জ’ন্ম হয়।

রিজিয়ার স্বামী মজনু হোসেন জানান, সে বর্তমানে জয়পুরহাট পৌর সভার একজন পিয়ন। সে জানতো না তার স্ত্রী’ রাজিয়ার সঙ্গে তার আপন বড় ভাই সিজু হোসেনের অ’বৈধ স’ম্পর্ক রয়েছে। তার স্ত্রী’র ঘরে রিয়াদ ও রাকিব নামে দুই ছেলে রয়েছে। তার দুই ছেলে মাদরাসায় লেখাপড়া করে। এই অবস্থায় রাজিয়া তার আপন বড় ভাই সিজু হোসেনের সঙ্গে গত ১৪ অ’ক্টোবর বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

তিনি পাগল হয়ে তার স্ত্রী’কে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি সন্ধান পান শিবগ’ঞ্জের ভাইয়ের পুকুর এলাকায় সৈয়দপুর গ্রামে কাবেজের ছেলে বাবলু মিয়ার বাড়িতে এক প্রেমিক যুগল আশ্রয় নিয়েছে। তার সূত্র ধরেই তিনি ওই বাড়িতে রিজিয়া ও সিজু হোসেনের অব’স্থান স’ম্পর্কে নি’শ্চিত হন।

রাজিয়ার বাবা আব্দুর রশিদ বলেন, বগুড়ার শিবগ’ঞ্জের আটমূল ইউপি চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর হোসেনকে বিষয়টি অবগত করলে তার তৎপরতায় বাবলুর স্ত্রী’কে গত বৃহস্পতিবার পরিষদে হাজির করা হয়। সেখানে বাবলুর স্ত্রী’ জানায় রিজিয়া ও সিজু হোসেন উভয়ে শিবগ’ঞ্জের ময়দান হাটা ইউপির কাজী মো. মাহফুজার রহমানের কাছে উপ’স্থিত হয়ে দুই লাখ টাকা দেন মোহরে বিয়ের বন্ধনে আব’দ্ধ হয়েছেন।

শুধু তাই নয় তারা নোটারি পাবলিক গাইবান্দা কার্যালয়ে অ্যাফিডেভিট এর মাধ্যমে বিয়ের ঘোষণা দেয় এবং তার আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে নিজ আপন বড় ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে ব’ন্ধনে আব’দ্ধ হয়। বর্তমানে তারা কিচক ইউপির হরিপুর গ্রামে অবস্থান নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি আমা’র দ্বিতীয় মেয়ে রাজিয়াকে পারিবারিকভাবে ত্যাজ্য করলাম।

জয়পুরহাট জে’লার ক্ষেতলাল উপজে’লার নিশ্চিন্তা তারাকুল গ্রামের আব্দুর রশিদ দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তানের জনক। ছেলে দুইজন হলেন মো. সাজু মিয়া ও মো. সিজু মিয়া। মেয়ে সন্তানরা হলেন মোছা. জাকিয়া সুলতানা ও রাজিয়া সুলতানা।

শনিবার দুপুরে বরিশাল নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলে ওয়া’র্কা’র্স পা’র্টির জেলা স’ম্মেলন উ’দ্বোধনী অনু’ষ্ঠানে প্রধান অতিথির ব’ক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনিপ্রধানম’ন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশের ওয়া’র্কা’র্স পা’র্টির শীর্ষ এই নেতা বলেন, “আপনি-আমি মিলে যে ভোটের জন্য লড়াই করেছি, আজিজ কমিশনকে ঘেরাও করেছি, আমরা এককোটি ১০ লাখ ভুয়া ভোটার তালিকা ছিঁড়ে ফেলে নির্বাচন বর্জন করেছি মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরও।

আজকে কেন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জাতীয় নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারছে না?”তিনি বলেন, উন্নয়ন মানে গণত’ন্ত্র হরণ নয়, উন্নয়ন মানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ নয়।

আজ দেশের মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতনা কেড়ে নিয়েছে সরকার। তাই মুখ খুলে কেউ ‘স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারছে না।ক্যাসিনো পরিচালনাকারীরা অসৎ উদ্দেশ্যে দলে অনুপ্রবেশ করেছিল—এমন ম’ন্তব্য করে মেনন বলেন

ক্যাসিন পরিচালনাকারীরা শত শত কোটি টাকা কামাই করে ও খেলাপি ঋণের টাকা বিদেশে পাঠিয়ে সেকেন্ড হোম বানিয়েছে। দেশের কোটি কোটি টাকা তারা বিদেশে পাচার করেছে। এর সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।ঐক্য’ফ্র’ন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের উদ্দেশে মেনন বলেন, ‘তিনি বলেছিলেন বিএনপি–জামায়াতের সঙ্গে ঘর করবেন না।

কিন্তু এখন তিনি বিএনপি-জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য’ফ্র’ন্ট গড়ে তুলেছেন। তিনি এর আগেও এমনটা করেছেন, কিন্তু আন্দোলন শুরু করে তিনি বিদেশে চলে গিয়েছিলেন।

আপন বোনকে বিয়ে করলো ভাই!

অ’স্টেলিয়ার ভিসা পেতে আপন বোনকে বিয়ে করেছেন মায়ের পেটের ভাই। এঘটনায় নড়ে-চড়ে বসেছে পু’লিশ প্রশাসন। ভা’রতে পা’ঞ্জাব প্রদেশে এমন ঘটনাটি ঘটে।

ভা’রতের সংবাদমাধ্যমে এতথ্যটি নি’শ্চিত হওয়া গেছে। সংবাদে বলা হয়েছে, মে’য়ের ভাই স্থায়ী ভাবে অ’স্ট্রেলিয়ায় বসবাস করে আসছিলেন।

তাই বোনকেও সে দেশের নাগরিকত্ব পাইয়ে দিতে পরিচয় গো’পন করে পা’ঞ্জাব কোর্টে গিয়ে বিয়ে করেন তারা। এরই মাঝে বোনটির অ’স্ট্রেলিয়ার ভিসা নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

এঘটনায় ত’দন্তে থাকা পু’লিশ কর্মক’র্তা জয় সিংহ বলেন, ত’দন্ত করে জানতে পেরেছি মে’য়েটি অ’স্ট্রেলিয়ার ভিসা পেয়ে গেছে। সে এখন অ’স্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

তারা আপন ভাই বোনের পরিচয় দিয়েছিল। এমনকি মে’য়েটি কয়েকদিন আগে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলো, সেখানে তারা স্বামী-‘স্ত্রী’ পরিচয়ে ছিল।

তিনি আরো বলেন, কেবল বিদেশে যাওয়ার জন্য তারা সমাজ, আইন ও ধ’র্মীয় বিধিনিষেধের স’ঙ্গে প্রতারণা করেছেন। মিথ্যা পরিচয়ের ভিত্তিতে তারা অ’স্ট্রেলিয়া

ক’র্তৃপক্ষকেও প্রতারিত করেছেন। আম’রা তাদের আ’ট’কে অ’ভিযান অব্যাহত রাখছি। কিন্তু তারা পালিয়ে বেড়া’চ্ছেন।

মানুষ বিদেশে যাওয়ার জন্য নান ফন্দি করে। কিন্তু এমন প্রতারণার কথা এটাই প্রথম শুনেছি। আম’রা আ’শ্চর্য হয়েছি।

বিয়ের ১১ দিন পর নব’বধূকে তা’লাক দিয়ে শা’শুড়িকে বিয়ে!

মাত্র ১১ দিন আগে ধূমধাম করে বিয়ে হয়েছিল নূরন্নাহার খাতুনের (১৯)। শ্বশুরবাড়িতে এক সপ্তাহ অবস্থানের পর শুক্রবার বাবার বাড়ি ফিরে আসেন নুরন্নাহার।

এর পর দিনই শনিবার বিকালে ঘর ভাঙে তার। বর মোনছের আলী (৩২) শ্বশুরবাড়ি গিয়ে নববধূ নূরন্নাহারকে তালাক দিয়ে শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে (৪০) বিয়ে করে চলে যায়।

দুদিন আগের শ্বাশুড়ি মাজেদা এখন মোনছের আলীর স্ত্রী হওয়ায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামে।

জানা যায়, ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ীর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে মোনছের আলী গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের নূর ইসলামের মেয়ে নূরন্নাহার খাতুনকে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর দিন শ্বাশুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান। মেয়ের সঙ্গে এক সপ্তাহ সেখানে অবস্থানের পর শুক্রবার মেয়ে ও মেয়ের স্বামীকে নিয়ে নিজবাড়ি ফেরেন। শনিবার সকালে নূরন্নাহার মোনছেরের সঙ্গে সংসার করবেন না বলে জানান।

শুরু হয় পারিবারিক কলহ। শ্বাশুড়ি মাজেদা বেগম তখন নূরন্নাহার সংসার না করলে তিনি নতুন জামাতার সংসার করবেন বলে জানান। এ অবস্থায় অসহায় শ্বশুর নূর ইসলাম গ্রাম্য সালিশ ডাকেন। হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদের তালুকদার, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্যরা সালিশি বৈঠকে বসেন।

সামাজিক বিচারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে মারধর করা হয়। এর পর পুরো পরিবারের সম্মতিতে নূর ইসলাম প্রথমে স্ত্রী মাজেদা বেগমকে তালাক দেন। এর পর বর মোনছের আলী নবপরিণীতা নূরন্নাহারকে তালাক দেন।

এর পর একই অনুষ্ঠানে সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়।

হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী জিনাত এসব কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতবর এবং ওই পরিবারের সব সদস্যের সম্মতিতে দুটি তালাক এবং একটি বিয়ের কাজ একই অনুষ্ঠানে সম্পাদন করা হয়।

ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, পুরো কাজটি হয়েছে ওই পরিবারের সম্মতিতে।

তবে শাশুড়ি বিয়ে করার ঘটনায় আপত্তি থাকায় গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মোনছের ও মাজেদাকে শারীরিক শাস্তি দেয়া হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাদের তালুকদার জানান, শাশুড়ি বিয়ের খবরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী বাড়ি ঘেরাও করে মারপিট শুরু করেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান।

পরিবারের সবার সম্মতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তিনি বিয়ের সম্মতি দেন।

এদিকে শাশুড়ি বিয়ের খবরে দুদিন ধরে অনেক মানুষ ভিড় করছেন মোনছের আলীর বাড়িতে।

করোনামুক্ত হয়েই মোটর শোভাযাত্রায় ব্রাজিল প্রেসিডে’ন্ট!

করোনায় ১৪ দিনেরও বেশি সময় ভুগে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডে’ন্ট জইর বোলসোনারো। দেশটির ৬৫ বছর বয়সী এ রা’ষ্ট্রপ্রধান জানিয়েছেন, তার সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষার রিপো’র্ট নেগেটিভ আসে। তারপর তিনি একটি মোটর শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) বোলসোনারো নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের মাধ্যমে এ কথা নিশ্চিত করেন। তিনি ওই পোস্টের ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ব্যবহৃত ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের একটি বক্সের ছবি দেন এবং করোনামুক্তির জন্য হাইড্রো’ক্সি’ক্লোরোকুইনকে ধন্যবাদ জানান।

৭ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্য’ন্ত তিন দফায় তার নমুনা পরীক্ষা করা হয় যেখানে সবগুলো রিপোর্টের ফলাফল পজিটিভ আসে। কিন্তু সর্বশেষ করোনা পরীক্ষার রিপোর্টটি নেগেটিভ আসে।

রয়টা’র্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজের করোনামুক্তির কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানালেও সর্বশেষ যে পরীক্ষা করেছিল সে ব্যাপারে কিছু জানাননি তিনি।

৭ জুলাই করোনা শনা’ক্ত হওয়ার পর প্রেসিডে’ন্ট ভবনে ‘আংশিক’ আইসোলেশনে গেলেও ভিডিও কনফারে’ন্সের মাধ্যমে দাফতরিক কার্যক্রমে অংশ নেন বোলসোনারো।

কিন্তু মাঝে মাঝে দেখা গেছে বাসভবনের বাইরেও এসেছেন তিনি। কয়েকদিন আগে এক সমাবেশে অংশ নিয়ে বেশ কিছুটা দূরে অবস্থান করে তার সমর্থকদের তিনি শুভকামনা জানান এবং কিছু সময়ের জন্য তিনি মা’স্কও খোলেন। আর এ জন্য তাকে তীব্র সমলোচনায় পড়তে হয়।

অবশ্য সমালোচকদের তিনি কোনোরকম তোয়াক্কা করেননি। বোলসোনারো শুরু থেকেই তিনি করোনাকে কে ‘সাধারণ ফু’ হিসেবে বলে এসেছেন।

দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়া ‘স্বত্ত্বেও তিনি মাস্ক পরতেন না বরং সমাবেশ করে বেড়াতেন। পরে দেশটির আদালত ‘প্রেসিডেন্ট মাস্ক না পরলে জরিমানা করা হবে’ এমন আদেশও দিতে বাধ্য হন।

এমনকি লকডাউন নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ব্রাজিলের দুজন স্বা’স্থ্যম’ন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এখনও স্থায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাননি ব্রাজিলিয়ানরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্পের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টও বারবার এই করোনা ভাইরাসকে তুচ্ছ করে দেখছিলেন।

নিজের দেশে মৃত্যু ও সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও এসব নিয়ে তিনি কোনো চিন্তা করে চরিত্রে বদল নিয়ে আসেনি।

তিনি নিজের অ্যাথলেটিক শরীরের ওপর আস্থাশীল ছিলেন এবং বলেছিলেন, আমি সং’ক্রমিত হলেও তেমন ক্ষতি হবে না।
সূত্র: বিবিসি

১০ হাজার টাকার জন্য কলেজছাত্রীর কা’ণ্ড!

বরিশাল নগরীতে বিকাশ প্র’তারক চক্রের খ’প্পরে পড়ে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা খুইয়েছেন এক কলেজছাত্রী।

উপবৃত্তির পাওনা টাকা পরিশোধ করার কথা বলে অভিনব প’ন্থায় চ’ক্রটি ওই শিক্ষার্থীর টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত শনিবার সকালে বরিশাল নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আমিরকুটির এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন প্র’তারণার শিকার নদিয়া আক্তার নামের ওই কলেজছাত্রী।

তিনি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া গ্রামের আলমগির হোসেনের মেয়ে এবং দুমকি জনতা কলেজের বিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

নাদিয়া নগরীর আমির কুটির এলাকায় বসবাস করেন। জিডিতে ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী উল্লেখ করেন, বিকাশ প্রতারক চক্রটির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্র’তারক চ’ক্রের স’ম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

কলেজছাত্রী জানান, তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষের ছাত্রী। তিনিসহ তাদের বর্ষের কিছু শিক্ষার্থী গত দুই বছর ধরে উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছেন না।

হঠাৎ গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি (যার ফোন নম্বর- ০১৮২৮-৫৮৮৪৯৬ এবং ০১৮৮৮-৫৩৩৯৯১) দুই দফা ফোন করেন।

এ সময় শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি কলেজছাত্রীর নাম-রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানিয়ে তার পাওনা দুই বছরের উপবৃত্তির টাকা পরিশোধ করা হবে বলে জানান। এ জন্য তাকে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠাতে বলেন।

ওই ছাত্রী জিডিতে আরও উল্লেখ করেন, ওই টাকা পাঠালে তিনি দুই বছরের ১০ হাজার ২০০ টাকাসহ মোট ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা পাবেন বলে জানানো হয়। ওই টাকা পাওয়ার জন্য তাকে একটি গো’পন নম্বর (২৫৫০০) দেন ওই প্রতারক।

শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া ব্যক্তির কথামতো বিকাশ এজেন্টের কাছে গিয়ে গোপন নম্বর টিপে ০১৮৫২-৮৮৩৬৬৪ ডায়েল করা মাত্রই এজেন্টের একাউ’ন্ট থেকে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘টাকা পাঠানোর পর থেকেই প্র’তারক চক্রের মোবাইল নম্বর দুটি ব’ন্ধ হয়ে যায়। একাধিকবার কল দেওয়ার পরেও যখন নম্বরটি বন্ধ পাই তখন আমি বুঝতে পারি প্র’তারণার শিকার হয়েছি।’ এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে অ’পরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান ওই ছাত্রী।

কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম ওই ছাত্রীর জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ঘটনাটির তদ’ন্ত শুরু করা হয়েছে।

ডিজিটাল প্রযু’ক্তি ব্যবহার করে প্র’তারক চক্র’টি শ’নাক্তের চেষ্টা চলছে। অচিরেই চ’ক্রটিকে শনাক্ত করে আ’ইনে নিয়ে আসতে পারবো।’

আবারও ভা’ইরাল হল, ক্লা’সের ম’ধ্যেই অ’ন্তরঙ্গ অ’বস্থায় ছাত্র-ছাত্রীর গো’পন ভিডিও!

ঘটনাটি ঘটেছে ভার’তের মগরার একটি ‘স্কুলে। ইটিভি ভারত নামের গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়া সংবাদে আরও বলা হয়েছে, দুই ছাত্র-ছাত্রী খুবই ঘনি’ষ্ঠ অ’বস্থায় রয়েছে।

সেই দৃশ্য ভিডিও করছে আরো কয়েকজন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।

ক্লাসরুমের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রী অন্তরঙ্গ অব’স্থায় ছিল। সেই মু’হুর্তে ভিডিও করছিল ক্লা’সের কয়েকজন। পরে কে বা কারা ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর তা ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায় ওই স্কুলে।

একপর্যা’য়ে অন্য শিক্ষার্থীদের অ’ভিভাবকদেরও চোখে পড়ে তা। সকালে অভিভাবকরা একজোট হয়ে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ করেন।

অ’ভিযুক্ত ছাত্র-ছাত্রীকে ব’হিষ্কার করারও দাবি তোলা হয়।স্কু’লের প্রধান শিক্ষক জানান, ওই দুই শি’ক্ষার্থীকে এরইমধ্যে বহি’ষ্কার করা হয়েছে।

তবে, ভ’বিষ্যতের কথা ভেবে কেবল টেস্ট প’রীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে তাদের। ক্লা’স করতে দেওয়া হবে না। প্রধান শি’ক্ষক বলেন, আমাদের স্কুল যথেষ্ট ঐ’তিহ্যবাহী। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ মানা যায় না।

স্কু’লের সাবেক শিক্ষার্থী ও অ’ভিভাবকরাও এই ঘটনায় উ’দ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের কথায়, আমরাও পড়াশোনা করেছি।

আমাদের ছেলে-মেয়েরাও পড়ছে। এই ধরনের ঘটনা সামনে আসায় চমকে যা’চ্ছি। স্কু’ল ক’র্তৃপক্ষকে আরো ক’ঠোর হতে হবে।

স্কু’লে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং কেউ মোবাইল নিয়ে ধরা পড়লে তার বি’রুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

প্রত্যেক ক্লা’সরুমের বাইরে সিসিটিভি আছে। এবার আমরা ক্লা’সরুমের ভেতরেও সি’সিটিভি লাগানোর ব্য’বস্থা করব।

এবার ভা’ড়া‍য় পাওয়া যাবে বউ,আবার ছে’ড়েও দিতে পারবেন ইচ্ছে মত!

 

মধ্যপ্রদেশের শিবপুরি জে’লার এই গ্রামের অব’স্থান। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এমন নিয়ম চলছে। অবশ্য এই কাজে তাদের কোনো আ’পত্তি নেই। বিষয়টি এখন তাদের কাছে বৈধ।

এ প্রথাকে স্থানীয় ভাষায় ‘ধাদিচা’ বলা হয়।বউ ভাড়া নেয়ার বিষয়টি এখন গ্রাম্য আইনে বৈধতা দেয়া হয়। সরকারি স্ট্যা’ম্পে চু’ক্তিপত্র করা হয়।উভয় পক্ষ সেখানে স্বা’ক্ষর করে।

এরপর চু’ক্তি কা’র্যকর হয়। বউ নিয়ে আম’রা অনেক সময় অনেক শিরোনাম পড়ে থাকি।এবারের শিরোনামটাও এর ব্যতিক্রম নয়। অ’বাক হলেও সত্যি বউ ভাড়া দেয়া হয় ভারতের একটি প্রদেশে।

বিয়ে করা তাদের কাছে বেশ ঝামেলা! কোনো নারীকে বিয়ে করে ‘স্থায়ীভাবে দায়ব’দ্ধ হতে চায় না। তাই বউ ভাড়া করে দা’ম্পত্য জীবন কা’টান গ্রামের পুরুষরা!

এমন বিস্ময়কর গ্রাম রয়েছে ভারতে। নতুন আ’ইনঃ পুরুষদের ন্যূনতম ২ টি বিয়ে, না করলে যাব’জ্জীবন জে’ল আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সম’স্ত পুরুষকে

ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে,যা আ’ইনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সিদ্ধান্তে আপত্তি করে, তা হলে শা’স্তি হবে যা’বজ্জীবন জে’ল।একে চন্দ্র, দুয়ে পক্ষ।এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বা’ধ্যতামূলক।

এমনই আ’জব আ’ইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার।আরবিক দেশগুলির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আ’জব আ’ইন জারি করা হয়েছে।

রীতিমতো ধ’র্মীয় আই’নের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি।সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে

এর আগে দী’র্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যু’দ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া।’ক্রমশ পু’রুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ।

তাই দেশের ‘স্বার্থেই এই আ’ইন বলবৎ করল সরকার। প্রস’ঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষ’ট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুতি এবং অন্য এক দিকে লোহিত সাগর। দেশটি ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রা’ষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।

সা,নাইয়ের স’র্ব,নাশ করলো পাশের বাসার ছেলে!

বর্তমান সময়ের আলোচিত ও সমালোচিত মডেল সানাই মাহবুব। গেল কয়েক বছরে তাকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম হয়নি। কিন্তু সেসব গায়ে না মেখে নিজের ছন্দেই ছুটে চলছেন সানাই।এদিকে গত সপ্তাহে নতুন একটি শর্টফি’ল্মে অভিনয় করেন সানাই।

চিলেকোঠার গল্প নামের শ’র্টফিল্মটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন বাপ্পা সান্তনু। রাজধানীর ৬০ ফিট এলাকায় এর দৃশ্যধারণের কাজ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনা দেন দীপক কর্মকার। শর্টফি’ল্মটির ডিওপি হিসাবে কাজ করেছেন মীর হান্নান।এ ব্যাপারে সানাই বলেন, ‘চিলেকোঠার গল্প শর্টফিল্মটির গল্প একেবারেই আলাদা।

আমাদের চারপাশের চিরচেনা একটি গল্প। সমাজে এমন চিত্র অনেক সময় দেখা যায়। শর্টফিল্মটিতে আমি শারিরীক প্রতিব’ন্ধী মেয়ে চরিত্রে অভিনয় করেছি। যাকে ভুলিয়ে বালিয়ে পাশের বাসার একটি ছেলে ধ’র্ষ’ন করে। এরপর নানা ঘটনার মধ্যদিয়ে গল্প এগিয়ে যাবে।

এতে কিছু সমাজ সচেতনমূলক মেসেজও দেয়া হয়েছে।’এদিকে সানাই বেশ কয়েকটি ছবিতে চুক্তিব’দ্ধ হলেও ময়নার ইতিকথা নামের একটি ছবির কাজ শেষ করেছেন। এতে তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। ছবিটি মু’ক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। বাবু সি’দ্দিকীর পরিচালনায় এতে সানাইয়ের বিপরীতে

এদিকে গ’র্ভবতী সানাই এই বিষয় মু’খ খুললেন নিজেই সময়ের আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রীদের নাম সামনে আসলেই চলে আসে সানাই নামটি।বর্তমান সময়ের আলোচিত এই মডেলের পিছু ছাড়ছেনা একটি কু’চক্রী। ভালো ম’ন্দ যাচাই-বাচাই না করে সানাই নামটি দেখলেই জুড়েদেন নানা রকমের বিত’র্ক।

বর্তমান সময়ে নতুন করে কিছু অনলাইনে গ’র্ভবতী ইস্যু নিয়ে গু’জব র’টানর চে’ষ্টা করছে ঐমহল। কিন্তু এই গু’জবকে ভুয়া ও বানোয়াট বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী সানাই।নানা রকমের বাজে ম’ন্তব্যের বেড়াজাল থেকে সানাইকে যেন ছাড়ছেনা।

শারীরিক গঠন, মন্ত্রীর বউ, সর্ট পোশাকে ভিডিও ইত্যাদি। একটি মহল বলছে এমন কাজ করেই সোস্যাল মিডিয়াতে তার জায়গা ধরে রাখছেন।কিন্তু সানাই বলছেন, আমি আমার কাজের মাধ্যমে সমাজের ভালো কাজের সঙ্গে যু’ক্ত

থেকে নিজের জায়গা করে নিয়েছি।বিনোদন প্রেমীরা আমার কাজ ও আমাকে পছন্দ করে বলেই আমি খুব অল্প কিছুতে জনপ্রিয় হয়ে উঠি।গ’র্ভবতী ইস্যু! ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে সানাই গ’র্ভবতী।

যদিও বিষয়টিকে গু’জব বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন সানাই।সানাই বলেন- ‘ আপনারা জানেন আমি ওজন বাড়ার কারণে নিয়মিত জিমে যাচ্ছি। যা হচ্ছে নিত্যা’ন্তই মিথ্যে ও বানানো গল্প। এগুলো বন্ধ করুন প্লিজ।’সানাই আরো বলেন, ‘আমি তো মানুষ।

কেন তারা আমাকে নিয়ে এমন বাজে মন্তব্য করছেন। প্লিজ এক বার আপনারা আমাকে আপনাদের বোন মনে করে দেখেন এমন বাজে মন্তব্য আসে কিনা? আমি যা করি তা নিয়েই সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ে। সবার কাছে

অনুরোধ নারীদের সম্মানের জায়গায় রাখুন।উল্লেখ্য, সানাই এর জন্ম ঢাকার ধানমন্ডিতে হলেও তার পৈত্রিক নিবাস নীলফামারীতে। পড়াশোনার জন্য তিনি বেশ কিছুদিন রংপুরে ছিলেন। তার বাবা-মা উচ্চপদস্থ বেসরকারি কর্মকর্তা।

সানাই এখন ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। নাবিলা, স্মা’র্টে’ক্স, নাগরদোলা ইত্যাদি ফ্যাশন হাউজে মডেল হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে উপস্থাপিকা হিসেবেও কাজ করেছেন।

এরপর ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকার গুলশান ক্লাবে একটি ফ্যাশন শো চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা গাজী মাহবুবের সঙ্গে সানাই এর পরিচয় হয়। গাজী মাহবুব তখন তার নির্মাণাধীন চলচ্চিত্র ভালোবাসা

২৪/৭ এর জন্য সানাইকে চিত্রনায়িকা হিসেবে পছন্দ করেন। এই চলচ্চিত্রে সানাই এর বিপরীতে অভিনয় করেন জায়েদ খান। ভার্চ্যুয়াল জগতে আলোচিত সানাই মাহবুব সুপ্রভা সর্বশেষ একটি ক’নডমের বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন ।ক’নডমের নাম ‘Seduction level up’ ।

৩ হাজার পু’রুষের সাথে শো’য়ার অভি’জ্ঞ’তা জা’নালো এই নারী!

যুক্তরাজ্যের ম্যারি কালভার্ট নামের ৬৩ বছরের এক নারী তার যৌ’ন জীবন সম্প’র্কে অভিজ্ঞা’তার কথা বর্ণনা দিয়েছেন দ্য গার্ডিয়ানের কাছে। সেখানে ৩,০০০ পূরুষের সাথে ঘুমানোর অভি’জ্ঞতা বলেছেন।

তার এই অভি’জ্ঞতা জীবন সম্পর্কে মানুষের প্র’থাগত ধারনাকে পাল্টে দিতে পারে। গার্ডিয়ানে প্রকাশিত তার অভি’জ্ঞতার কিছুটা তুলে ধরা হলো। একরাতে আমি ১৪ জন পুরুষের সাথে শুয়েছিলাম এবং চে’ষ্টা করছিলাম এটা খুঁজে বের করতে যে,

সারা জীবনে আসলে আমি কত জন পুরুষের সাথে শুয়েছি। সত্যিটা হচ্ছে সঠিক সংখ্যাটি আমার জানা নেই। আমি গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১০০ পুরুষের সাথে যৌ’ন মিলন করেছি এবং এটা গত তিন দশক ধরে।

আমার বয়স ৬৩ বছর এবং আমি বেঁচে থাকার তাগিদে যৌ’ন মিলন করি না বরং এর প্রতি রয়েছে আমার গ’ভীর আক’র্ষণ। উপভোগ, সন্তুষ্টি এবং আনন্দের মধ্যে সময় কাটানোর জন্য একটি অসাধারণ উপায় হচ্ছে যৌ’নতার মধ্যে থাকা।

৬০ বছর যাবত দু’জন দু’জনের সাথে যৌ’ন মিলন করে যাব সেটাকে আমরা কখনোই প্রা’কৃতিক বলে মনে করিনি। জীবন উপভোগের এবং নতুন কিছুর সাথে পরিচিত হওয়ার।

আমার স্বামী অন্য নারীদের সাথে যৌ’ন মিলন করে এবং এটাকে কখনোই আমি খারাপভাবে নেইনি, কারণ আমি মনে করি সে আমাকে খুবই ভালবাসে। ২৮ বছর পর্যন্ত আমাদের একটি রুটিন মাফিক জীবন ছিল এবং আমরা নিজেদের মধ্যেই যৌ’ন মিলন করতাম।

কিন্তু আমার স্বামী একদিন হঠাৎ তার এক সহক’র্মীর কাছ থেকে একটি বহুগামীতার ম্যাগাজিন নিয়ে আসে এবং মজা করে বলে, আমাদের এটা পরীক্ষা করা উচিত।

তখন আমি তাকে বোকার মতো কথা বলতে নি’ষেধ করি এবং সে কোনোদিনই এরকম কথা উচ্চারণ করেনি।কিন্তু আমি ম্যাগাজিনটি দেখতে থাকি এবং ভাবি যে, এটা কতটাই মজার বিষয় হতো।

অবশেষে আমি আমার ভাবনার বিষয়টি জানাই এবং আমরা ম্যাগাজিনে বহুগামী যুগলদের তালিকা থেকে এক যুগলের সাথে দেখা করি। ওই যুগলের বয়স ছিল প্রায় ৪০ বছর এবং তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিল।

এক শুক্রবার আমরা তাদের সাথে মিলিত হই। আমরা তখন খুব ঘাবড়ে গিয়েছিলাম তবে খুব উত্তেজিত ছিলাম।

আমি বলেছিলাম, আমাদের একবার পরীক্ষা করে দেখা উচিত বিষয়টি কেমন কাটে এবং তা খুব ভালোই কেটেছিল। আমি তখন ‘জনের সাথে মি’লন করেছিলাম এবং ব্যারি করেছিল জ’নের স্ত্রীর সাথে।

নতুন আ’ইনঃ পুরুষদের ন্যূনতম ২ টি বিয়ে, না করলে যাব’জ্জীবন জে’ল!

আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সমস্ত পুরুষকে ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে,যা আ’ইনে স্প’ষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সি’দ্ধা’ন্তে আপত্তি করে, তা হলে শা’স্তি হবে যা’বজ্জীবন জে’ল।একে চ’ন্দ্র, দুয়ে পক্ষ।এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বা’ধ্যতামূলক।

এমনই আ’জব আ’ইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার।আরবিক দেশগুলির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আ’জব আ’ইন জারি করা হয়েছে। রীতিমতো ধ’র্মীয় আই’নের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি।সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে।

এর আগে দী’র্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যু’দ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া।ক্রমশ পু’রুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ। তাই দেশের ‘স্বার্থেই এই আ’ইন বলবৎ করল সরকার। প্রসঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুতি এবং অন্য এক দিকে লোহিত সাগর। দেশটি ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।

আরো পরুন নারীরা দু’র্বল হয়ে যায় পুরুষের মধ্যে জা দেখলে শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূতিও। নারীর হৃদয় জয়ে সফল হতে হলে এসব পুরুষালি গুণের চর্চায় মনোযোগী হতে পারেন আজ থেকেই।

পড়ুন এমন পাঁচটি গুণের কথা-
১) ফিটফাট থাকুন: নারীরা দী’র্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে

ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খা’মখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।

আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখুন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘স’ন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।

৩) মুখে হাসি ফোটান: রসবোধ থাকাটা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে থাকার মতো যথে’ষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।

তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বিষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখুন।

৪) তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান: নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন। তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একস’ঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল

রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।

৫) ও চোখে চোখ পড়েছে: যখনই তাঁর চোখে চোখ রেখে তাকান। মিষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূতি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে পারে তাঁর। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

এবার মিলল ভিন্ন খবর, সাহেদের কারণেই সংসার ভাঙে অপূর্ব অদিতির!

রুপালী পর্দার তারকাদের বিবাহ বিচ্ছেদ নতুন কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রে বিনোদন জগতের সাংসারিক জীবন দীর্ঘ’স্থায়ী হলেও সংসার ভাঙার সংখ্যাও যেন সমানে সমান।

কারো দুই বছর আবার কারো চার বছর অথবা এরচেয়ে অধিক সময় পর্যন্ত একসাথে সংসার জীবন পার করলেও বিচ্ছেদ হয়ে যায় একটা সময়।

চলতি বছরেও বেশ কয়েকজন তারকার বি’চ্ছেদের খবর প্রকাশ পেয়েছে মিডিয়ায়। যেখানে অন্যতম আলোচিত ছিল জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবং নাট্যকার নাজিয়া হাসান অদিতির বিচ্ছেদ।

গত ১৭ মে অপূর্ব এবং অদিতির বিচ্ছেদের খবর আসে মিডিয়ায়। ডিভোর্স সম্পর্কে তখন মুখ না খুললেও এখন জানা গেছে চা’ঞ্চল্যকর সব তথ্য।

স’ম্প্রতি করোনা টেস্টের ভুয়া রিপো’র্ট দেয়া রিজে’ন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদের কারনেই নাকি ভেঙেছে অপূর্ব এবং অদিতির সংসার।

এমন কথা জানিয়েছে খোদ সাহেদইসাতক্ষীরা থেকে সাহেদকে র‍্যাব আটক করার পর সু’ষ্ঠু তদ’ন্তের জন্য তাকে নেয়া হয় দশ দিনের রিমান্ডে।

আর সেই রিমা’ন্ডেই সাহেদ জানিয়েছে অপূর্ব এবং অদিতির বিচ্ছেদে হাত রয়েছে তার। কিন্তু কীভাবে এতসব হল? এর পেছনের আসল রহস্যই বা কী ছিল?

গোয়ে’ন্দাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ডিভোর্সের সময় অদিতি ভিন্ন কারন দেখালেও এ ব্যাপারে অপূর্ব মুখ খোলেনি তাদের স’ন্তান ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা ভেবেই।

তাই রহস্য থেকে গিয়েছিল সেখানেও। তবে এবার সাহেদ নিজেই জানিয়েছে ঘটনার পেছনের কারন।রিমান্ডে সাহেদ জানিয়েছেন সিনেমা জগতে নামার জন্য তার সামনে

রেখেছিলেন অদিতিকে। আর সাহেদের পাতা সেই ফাঁদে শেষ পর্যন্ত পা দিয়ে নিজের সংসার থেকে বেরিয়ে আসে অদিতি।

যার ফলস্বরূপ ডিভোর্স দেয় অপূর্বকে। এদিকে সাহেদের সাথে অদিতির এমন ঘনি’ষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন অদিতি নিজে। বিষয়টিকে অ’দ্ভুত আখ্যা দিয়ে অদিতি বলেন, “বিষয়টি একেবারেই অ’দ্ভুত। ডিভোর্সের ব্যাপারে আমি কিছুই

বলতে চাচ্ছি না।”উল্লেখ্য, অদিতি এবং অপূর্ব সংসার জীবন শুরু করেন ২০১১ সালে। তবে এরপর ৯ বছর কেটে যাওয়ার পর বিচ্ছেদ ঘটেছে তাদের।সূত্র : city24news.com

সুখবর- তালিকা চূড়ান্ত,আগামী ২৫জুলাই যারা পাচ্ছেন সরকারি নগদ ২৫০০ টাকা!

ক’রোনাভা’ইরাসেের কারণে সারাদেশের ক্ষ’তিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার জন্য এক হাজার ২৫৭ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ ম’ন্ত্রণালয়।

সোমবার অর্থ ম’ন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের দুই শাখা থেকে এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে। আগামী ১৪ মে এ টাকা দেয়ার কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

বিতরণ শুরু হওয়ার পর চলবে ঈদুল ফিতরের আগ পর্যন্ত। অর্থ ম’ন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অর্থ বিভাগের বাজেট-১ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬২৭ কোটি টাকা, আর বাজেট-৩ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬৩০ কোটি টাকা।

এসব টাকা সুবিধাভোগীদের মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ ছাড় করা হয়েছে আরও সাত কোটি টাকা।’

এ বি’ষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত স’চিব মো. হাবিবুর রহমন বলেন, ‘আজকে অর্থছাড় করা হয়েছে।

আগমী ১৪ তারিখ প্রধামন্ত্রী উদ্বোধনের পর ১০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে। এর পরবর্তী চার দিন ৪০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে।

জানা গেছে, উদ্যোগটির সঙ্গে জ’ড়িত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দু’র্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ ম’ন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। আর পরিবার চিহ্নিত করা হয়েছে স্থানীয় স’রকার অর্থাৎ জে’লা প্রশাসন, উপজে’লা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের সাহায্যে।

তালিকায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণ শ্র’মিক, কৃষি শ্র’মিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্র’মিক, পোলট্রি খামারের শ্র’মিক, বাস-ট্রাকসহ পরিবহন শ্র’মিক, হকারসহ নানা পেশার মানুষকে রাখা হয়েছে।

তালিকা করার প্রক্রিয়া নিয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জে’লা প্রশাসক হায়াত খান জানান, তার জে’লায় নগদ টাকা পাবে ৭৫ হাজার পরিবার। আর তালিকা করার কাজটি করেছে একটি কমিটি। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সদস্য, সমাজের গণমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটি প্রায় এক মাস ধরে তালিকাটি তৈরির কাজে যুক্ত ছিল। একইভাবে পৌরসভা পর্যায়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি কাজ করেছে।

অর্থ ম’ন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পরিবারগুলোকে টাকা দেয়া হবে মূলত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, রকেট, নগদ এবং শিওরক্যাশ। অর্থাৎ নগদ সহায়তা হলেও কাউকে নগদে টাকা দেয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে এমএফএসে বড় আকারের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে স’রকারকে।

টাকা পৌঁছানোর জন্য এমএফএসগুলো পাবে প্রতি হাজারে মাত্র ছয় টাকা। হাজারে ছয় টাকা হিসাবেই পৌঁছানোর মোট খরচ দাঁড়ায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। এ টাকা স’রকার বহন করবে।

পরিবারগুলোর কোনো টাকা দিতে হবে না। এ কারণে খরচের জন্য আলাদাভাবে সাত কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ ম’ন্ত্রণালয়।

মোট ৫০ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর কাজের মধ্যে বিকাশের ভাগে রয়েছে ১৫ লাখের দায়িত্ব। সবচেয়ে বেশি ১৭ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠাবে নগদ। বাকি ১৮ লাখ পরিবারের কাছে এ টাকা পৌঁছাবে রকেট ও শিওরক্যাশ।

ঢাকায় চ’ড়া দামে বি’ক্রি হচ্ছে পুরুষ’ত্ব!

বিক্রি হচ্ছে পুরুষ’ত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষ’ত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের ‘স্ত্রীদের কাছে।কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।

শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসক’র্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও, এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য।ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের স’ন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে

স্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসক’র্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল।

যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল।লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে, ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা, কিংবা

কোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে।অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এ’ক্সপে’ন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের কলগার্লের নামের তালিকা ঘাটলে অনেক মডেলকেও পাওয়া যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা, তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)।এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়, একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথে

বিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে।বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মা’র্ট ফোন, ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই।আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্প’ষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই।প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ

একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে, সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন। হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়।একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি।

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালেফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় এ কথা বলা হয় একজন সুখী বিবাহিত নারী সংসারের যে কোন ঝামেলা সামলে উঠেও ক্লান্ত হন না, বরং বেশ ভালোবেসেই কাজগুলো করেন।যেখানে একজন অসুখী নারী সাংসারিক জীবন নিয়ে যথে’ষ্ট ক্লান্তিভাব পোষণ করেন এবং নিজেকে পরিবর্তনও করতে নারাজ থাকেন।একজন বিবাহিত নারীর আবেগ, চাওয়া পাওয়া থাকে তার স্বামীকে ঘিরে। সেই স্বামী যখন অবহেলা করেন কিংবা স্ত্রীকে বুঝতে চে’ষ্টা করেন না তখন সে নারী হয়ে উঠেন একজন অসুখী নারী।

বর্তমান সমাজে দেখা যায় ঠিক এ কারনেই অনেক নারী বিবাহ বহির্ভূত সম্প’র্কে জড়িয়ে পড়েন এবং নিজের ইচ্ছে বা চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে থাকেন।যেকোন স’ম্পর্কেই দূরত্ব জিনিসটা ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়। না, এই দূরত্ব কোন বাহ্যিক দূরত্ব নয়। মনের দূরত্বের কথা বলছিলাম। অনেক বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রেই দেখা যায় চার দেয়ালের মাঝে দিনের পর দিন থাকার পরও তারা একে অপরের চেয়ে বেশ দূরে। নিশ্চয়ই এটি একজন অসুখী

বিবাহিত নারীর খুব বড় একটি লক্ষণ। দূরত্বের কারন স্বামী হতে পারে আবার স্ত্রীও হতে পারে। হয়ত স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি সম্মান হারিয়ে ফেলে কিংবা স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেবিয়ে একটি বড় ধরণের সামাজিক সম্পর্ক।

আর বিয়ে পরবর্তী সময়ে সুখী থাকতে চাওয়াটা যে কোন নারীরই কাম্য। তাই, উপরের লক্ষণ গুলোর একটিও যদি আপনার মনের জানালায় উঁকি দেয় আজই আপনার স্বামীর সাথে খোলাখুলি আলোচনা করে সব ঠিক করে নিন আর সুখী বিবাহিত জীবনযাপন করুন।

স্বামী কোয়ারে’ন্টাইনে, প্রে’মিকের স’ঙ্গে পা’লালেন স্ত্রী!

‘ঘর পো’ড়ার মধ্যে আলু পো’ড়া’। এই কথাটিই যেন ফলেছে ভা’রতের মধ্য প্রদেশের এক ব্যক্তির ভাগ্যে। করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ পরি’স্থিতির মধ্যে লকডাউনের হাজারো

বাধা ডিঙিয়ে বেচারা দিল্লি থেকে রাজ্যের ছাতারপুর জে’লার মুন্দেরি গ্রামের

বাড়ি ফিরেছিলেন। প্রশাসনিক নির্দেশনায় তাকে যেতে হয় কোয়ারেন্টাইনে। আর এই কোয়ারেন্টাইনের সুযোগ নিয়েই ওই ব্য’ক্তির স্ত্রী’ পালিয়ে গেছেন পর’কী’য়া প্রে’মিকের

হাত ধরে। এ ঘটনায় ৫০ বছর বয়সী ওই পরিযায়ী শ্রমিক (এক রাজ্য থেকে গিয়ে

আরেক রাজ্যে কাজ করা) নিকটস্থ থা’নায় অ’ভিযোগ করেছেন। অ’ভিযোগের পর তিন সন্তানের মা সেই নারীকে (৪৬) খুঁজছে পু’লিশ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই ব্যক্তি

দিল্লির একটি এলাকায় কাজ করতেন। কর্মস্থলের পাশেই বাসা নিয়ে থাকছিলেন তিনি। ওই বাসায়ই তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী’ ও সন্তানরা। কিন্তু দেড় বছর আগে তিনি স্ত্রী’-সন্তানদের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

মা’র্চে ভা’রতজুড়ে করো’নাভাই’রাসের কারণে লকডাউন পরিস্থিতি তৈরি হলে লাখ লাখ পরিযায়ী শ্রমিকের মতো আ’ট’কা পড়েন ওই ব্যক্তিও। শেষে সরকার পরিযায়ী

শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেন চালু করলে তাতে গ্রামের বাড়ি ফেরেন তিন সন্তানের এই জনক। ১৯ মে বাড়ি ফেরার পরই তাকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে

পাঠান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা। নিজের বাড়ির একটি কক্ষে থাকছিলেন তিনি। আরেকটি কক্ষে থাকছিলেন তার স্ত্রী’ ও সন্তানরা।

২৪ মে ওই ব্যক্তি ঘুম থেকে ওঠার পর দেখেন তার কক্ষ বাইরে থেকে তালাব’দ্ধ। নানা কায়দা করে কক্ষ থেকে বেরিয়ে স্ত্রী’-সন্তানদের খোঁজ করতে থাকেন। সন্তানদের পেলেও

স্ত্রী’র খোঁজ মিলছিল না। কিছু বলতে পারছিলেন না তার সন্তানরাও। নিজের মুখে গামছা বেঁধে ওই ব্যক্তি আশপাশের সব বাড়িতে খোঁজ নিতে থাকেন।

মোবাইল ফোনে খোঁজ নিতে থাকেন আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছেও। কিন্তু পরে এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, তার অনুপ’স্থিতিতে

গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী’ পর’কী’য়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই প্রে’মিকের হাত ধরেই এই দুঃসময়ে পগার পার হয়েছেন তিনি।

বাড়িতে ঢু’কে মহিলাকে দিনের পর দিন ধ’র্ষ’ণ গ্রে’ফতার যুবক।

ভারতে বিশেষভাবে সক্ষম এক মহিলাকে দিনের পর দিন ধ’র্ষণ! শেষমেশ পরিবারের হাতেই ধ’রা পড়ল আঠেরো বছরের যুবক। ঘটনাটি ঘিরে চা’ঞ্চল্য গড়িয়া এলাকায়।

অ’ভিযুক্ত বিকাশ মণ্ডলকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিস।তার বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের মা’মলা রু’জু করা হয়েছে।বিশেষভাবে সক্ষম ওই মহিলা দিনের বেশিরভাগ সময়ে বাড়িতে একাই থাকতেন।

পরিবারের বাকি সদস্যরা সকালে কাজে বেরিয়ে যেতেন। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়েছিল যুবক। প্রত্যেকদিনই একটি নির্দি’ষ্ট সময়ে ওই মহিলার বাড়িতে যেত ওই যুবক। প্রতিবেশীরা দেখলেও প্রথমে বিশেষ আ’মল দেননি। তাঁরা ভেবেছিলেন, গল্প করতেই ওই যুবক তাঁদের বাড়িতে যায়।

গত কয়েকদিন ধরে মহিলার হাবেভাবে কিছু একটা ই’ঙ্গিত করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁর বিষয়টি দেখার জন্য ওঁত পেতে ছিলেন।

বুধবার সকালেও বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে ঘরে ঢোকে ওই যুবক। মহিলার সঙ্গে অ’শালীন আচরণ করতে থাকেন। সেই সময় বাড়ির বাইরেই লুকিয়ে ছিলেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

তাঁরা ঘরে ঢুকে যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।অভিযোগ, দিনের পর দিন ওই মহিলাকে ধ’র্ষ’ণ করেছে বিকাশ।

এমনকি যাতে নির্যা’তিতা কাউকে কিছু বলতে না পারে, সেকারণে তাঁকে প্রা’ণনাশের হু’মকি দিত বলেও অভিযোগ। বিকাশকে হাতেনাতে ধরেই পু’লিসের হাতে তুলে দেয় পরিবার।

আরো পরুন রাজধানীর ধানমন্ডির ১২তলা আবাসিক ভবনে ভ`য়াবহ আ`গুন এক নারীর মৃ`ত্যু রাজধানীর ধানমন্ডিতে আবাসিক ভবনের আ`গুন নি`য়ন্ত্রণে এসেছে। আজ শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে এ আ`গুনের সূত্রপাত হয়।

এর ঘণ্টাখানেক পর আ`গুন নি`য়ন্ত্রণে আসে।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদ’প্তরের নি`য়ন্ত্রণ কক্ষের অপারেটর ফরিদ উদ্দিন জানান

ধানমন্ডি-৬ এ অবস্থিত ১২তলা বিশিষ্ট একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলায় আ`গুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনা’স্থলে পৌঁছায়। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর নি`য়ন্ত্রণে আসে আ`গুন।

ধানমন্ডি মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষ`য়ক্ষ`তির বিষয়ে প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

বিয়ের আগে স’হবাসে আমার কোনো আ’পত্তি নেই!

বিয়ের আগে স’হবাস! আমরা যতই আধুনিক হই না কেন, এখনো লিভ ইন রিলেশনশিপ শুনলেই চোখ কপালে উঠে যায় অনেকেরই। এবার সেই লিভ ইন রিলেশনশিপ নিয়েই ‘জি বাংলা সিনেমা অরিজিনালস’-

এ সুদে’ষ্ণা রায় ও অভিজিত গুহর নতুন ছবি ‘চলো লেটস লিভ।’ ছবির মুখ্যচরিত্র রাহীর ভূমিকায় দেখা যাবে সায়নী ঘোষকে। লিভ ইন রিলেশনশিপকে ঠিক কীভাবে দেখা হয় এই মধ্যবিত্ত বাঙালি সমাজে, তাই উঠে এসেছে চিত্রনাট্যে।

আমরা যতই আধুনিক হই না কেন, যদি আমাদের বাবা-মাকে গিয়ে বলি একটি ছেলের সঙ্গে আমি লিভ ইন করতে চাই, কাপালে ভাঁজ পড়বেই। কিন্তু বিয়ে করা আর লিভ ইনের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য আমি দেখি না,

কারণ দুটোই তো সেই একসঙ্গে থাকা। যার সঙ্গে আমি সারাজীবন থাকার কথা ভাবছি, তাকে ভালো করে জেনে নেয়া বা বুঝে নেয়াটা খুব জরুরি। এই ছবির চিত্রনাট্যেও সে রকমই একটা সম্পর্ক তুলে আনা হয়েছে।

এবং তার ফলে কী কী ঘটছে তাদের জীবনে, তা নিয়েই এগিয়েছে গল্প। রাহী মফস্বলের মেয়ে। তার বয়ফ্রেন্ড অর্জুন। দু’জনে বিয়ে করতে চায়। কিন্তু বিয়ের আগে রাহী অর্জুনকে লিভ ইনের পরামর্শ দেয়।

মফস্বলে থাকে বলে যে লিভ ইন শুনলে চমকে উঠবে, এমন মেয়ে কিন্তু নয় রাহী। এখানে অর্জুনের থেকেও লিভ ইন-এর ইচ্ছেটা

যেন রাহীরই বেশি। লিভ ইনটা একটা সাধারণ সম্পর্ক বলেই মনে করে সে। লিভ ইন মানেই যে গদগদ প্রেম, এ রকমটা কিন্তু নয়।

সায়নী ঘোষ এর আগে ‘একলা চলো’, ‘আবার একলা চলো’- তে অভিনয় করেছে। যেখানে সিঙ্গেল মাদারহুডের মতো বি’ষয়ে কাজ করা হয়েছে। সবসময়ই নতুন বি’ষয়বস্তু নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে দেখা যায় রানাদা, সুদে’ষ্ণাদিকে। যেটা খুবই ভালো।

কিন্তু বাংলা ছবিতে এখনো মনে হয় গল্প নিয়ে এতটা এ’ক্সপেরিমেন্ট এখনো খুব একটা করা হয় না। সায়নী কাছে বিয়ে করা আর ঘর করা একই। আর এখন পতি পরমেশ্বর কনসেপ্টটা পুরো চে’ঞ্জ হয়ে গেছে। যার সঙ্গে সারাজীবন থাকার পরিকল্পনা করছি, তাকে যদি আগে থেকে জেনে নেয়া যায় তাহলে ক্ষ’তি কী।

কারণ বিয়ের পর যদি মনে হয়, তাহলে সেটা একদম শেষপর্যায় হয়ে যায়। তাই আগেভাগে জেনে নেয়াতে কোন আপত্তি নেই। বিশেষ করে আমার মতো যারা নিজেকে নিয়ে আ’প্লুত, তাদের তো আরো দেখে নেয়া উচিত।

যার সঙ্গে আমি সারাজীবন থাকার কথা ভাবছি, তাকে ভালো করে জেনে নেয়া বা বুঝে নেয়াটা খুব জরুরি। এই ছবির চিত্রনাট্যেও সে রকমই একটা স’ম্পর্ক তুলে আনা হয়েছে। কারণ বিয়ে শুধুমাত্র একটা ইন’স্টিটিউশন, এর বাইরে বিয়ে আর লিভ ইনের মধ্যে কোনো পার্থক্য আমি দেখি না।

স্ত্রী বা’ড়ি না থাকার সুযোগে মে’য়েকে লা’গা’তার ধ’র্ষণ!

রাজধানীর যা’ত্রাবাড়ীতে ১৩ বছরের এক কি’শোরীকে ধ’র্ষণের অভি’যোগে তার সৎ বাবাকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ।

ওই কি’শোরীর মায়ের অভি’যোগের পরিপ্রে’ক্ষিতে সৎ বাবা লোকমানকে গ্রে’প্তার করা হয়।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে যাত্রাবাড়ী থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত ক’র্মক’র্তা (ওসি) মাজহারুল
ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, ওই কি’শোরীর বাবা তাদের ছেড়ে চলে গেলে তার মা

সিএনজিচা’লক লোকমানকে বিয়ে করেন। মা ও সৎ বাবার সঙ্গে যাত্রাবাড়ী এলাকায়

থাকে ওই কি’শোরী। তার মা যা’ত্রাবাড়ী মাছের আ’ড়তে কাজ করেন।

তিনি আরও জানান, শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে ওই কি’শোরীর মা কাজে ছিলেন। এ

সু’যোগে সৎ বাবা ভোরের দিকে ওই কি’শোরীকে ধ’র্ষণ করে বলে তার মা থা’নায় একটি

অ’ভিযোগ করেছেন। ওই অ’ভিযোগের পরি’প্রেক্ষিতে থা’নায় একটি মা’মলা হয়েছে।

স’ম্পত্তি লিখে না দেয়ায় মায়ের ন’গ্ন ছবি ই’ন্টারনেটে ছড়িয়ে দিল ছেলে!

পৈতিক স’ম্পত্তির মালিকানা পাওয়া নিয়ে বিবাদ। সেই কারণে মায়ের ন’গ্ন ছবি আ’ত্মীয় স্বজনের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিল ছে’লে।

এই অ’ভিযোগে ৫০ বছরের এক ব্যক্তিকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। খবর আন’ন্দবাজারের।

স’ম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে ভা’রতের রাজ’স্থানে। ঘটনার কথা সোমবার জানানো হয়েছে পু’লিশের তরফে।

মায়ের ন’গ্ন ছবি ছড়ানোয় অ’ভিযু’ক্ত ওই ব্যক্তির নাম দীপক তিওয়ারি (৫০)।

আ’দালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

পু’লিশ জানিয়েছে, ২০ দিন আগে মা’রা গিয়েছেন ওই ব্য’ক্তির বাবা। তার পরই মায়ের স’ঙ্গে স’ম্পত্তি নিয়ে বিবাদ।

ছে’লের ইচ্ছা, বাবার সম্পত্তি তার নামে লিখে দিন মা। কিন্তু মা রাজি না হওয়ায় আত্মীয় স্বজনের কাছে মায়ের বদনাম করার

মতলব এঁটেছিলেন দীপক। সেই মতো মায়ের ন’গ্ন ছবি ছড়িয়ে মাকে ব্ল্যাকমেল করে সব সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে চেয়েছিলেন তিনি।

পু’লিশে করা অ’ভিযোগে দীপকের মা ৭৫ বছরের ওই বৃ’দ্ধা জানিয়েছেন, ১৩ মে তিনি যখন তার স্বামীর পারলৌকিক কাজ করছিলেন, তখন ছে’লে এসে কোনও বস্তু তার গায়ে স্প্রে করে দেয়। তাঁর সারা গা চুলকাতে শুরু করে। স’ঙ্গে স’ঙ্গে তিনি বাথরুমে গিয়ে ‘স্নান করেন। সে সময়ই লুকিয়ে তার ন’গ্ন ছবি তুলেছিল ছে’লে।

পরে সেই ছবি দীপক পাঠিয়ে দেয় আত্মীয় স্বজনের কাছে। আ’ত্মীয়দের কাছে ন’গ্ন ছবির ব্যাপারে জানতে পেরে পু’লিশের দ্বার’স্থ হন ৭৫ বছরের ওই বৃ’দ্ধা।

অ’ভিযোগ পেয়ে শনিবার দীপককে গ্রে’ফতার করে পু’লিশ। তাঁর বি’রুদ্ধে তথ্যপ্রযু’ক্তি ও ভা’রতীয় দ’ণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় মা’মলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পু’লিশ।

এবার বি’শ্বজুড়ে কোরবানি একইদিনে হতে পারে!

মঙ্গলবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের আকাশ থেকেও জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ ‘স্প’ষ্ট দেখা যাবে এমনটাই বলছেন জোতির্বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণাকারীরা।

চাঁদের অব’স্থান জানানো ওয়েবসাইটের তথ্য বি’শ্লেষণ করে তারা বলছেন, বিশ্বের সব মুসলিম দেশে একই দিনে রোজা শুরু বা ঈদ পালন নিয়ে বাংলাদেশে বছরের পর বছর ধরে যে বিতর্ক চলছে, এবার সুযোগ হয়েছে তার অবসান হওয়ার।

তবে ধর্ম ম’ন্ত্রণালয় বলছে, বৃহৎ জনগো’ষ্ঠীর আবেগ অনুভূতির বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা সি’দ্ধান্ত নেবেন।
নাসা থেকে তথ্য নিয়ে প্রকাশিত চাঁদের অবস্থান জানানো ওয়েবসাইট মুন সাইটিং ডটকম বলছে, জুলাইয়ের ২০ তারিখ বিশ্বের কোনো জায়গা থেকেই জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাবে না।

তবে ২১ জুলাই বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ থেকেই তা ‘স্প’ষ্ট দেখা যাবে।
মুন সাইটিং ডটকম বলছে, বাংলাদেশ থেকে পশ্চিম দিকের দেশগুলো চাঁদ দেখবে খালি চোখেই। এছাড়া আকাশ পরি’স্কার থাকলে বাংলাদেশসহ আশপাশের দেশ থেকেও স্প’ষ্ট চাঁদ দেখা যাবে।

সাইটটির তথ্য বিশ্লেষণ করে পরমাণু ও জোতির্বিজ্ঞানিরা বলছেন, ২১ জুলাই বাংলাদেশে যখন ২৮০ ডিগ্রি এঙ্গেলে সূর্য অস্ত যাবে, ঠিক একই সময় তার ১৩ ডিগ্রি উত্তরে অর্থাৎ ২৯৩ ডিগ্রি এঙ্গেলে পশ্চিম আকাশে জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা যাবে।

নতুন চাঁদটি বাংলাদেশের আকাশে ৩৫ মিনিট স্থায়ী হবে বলেও জানাচ্ছেন তারা।
জোতির্বিজ্ঞানী ও গবেষক এয়ার কমডোর ড. সৈয়দ জিলানী মাহবুবুর রহমান বলেন, অন্যান্য বছর চাঁদের যে অবস্থান থাকে, চাঁদের বয়স থাকে; সেটা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশে চাঁদ দেখা যাবে।

কিন্তু কিছু আলেম করে, সৌদি আরবের পরের দিন বাংলাদেশ ঈদ। এটা ভুল। কোন দলিল নেই। এই বৈজ্ঞানিক চার্ট অনুযায়ী ৩০ জুলাই হজের দিন। আর ৩১ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা।

পরমাণু বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ এম শমশের আলী বলেন, আমি চ্যালে’ঞ্জ দিয়ে বলেছি, গত ৩০ বছর ধরে নাসার যে প্রেডিকশন আছে, তার ভিত্তিতে মুন সাইটিং ডট কমেও সেখানে চাঁদ দেখা দিয়েছে। চাঁদ উঠে গেলে আর বাকি কি থাকে?

তারা বলছেন, এর ফলে একই দিন রোজা শুরু ও ঈদ পালন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান হবে। চাঁদ দেখা কমিটির অনেকে বিজ্ঞান মানতে চান না বলে রা’ষ্ট্র এ বিষয়ে সঠিক সি’দ্ধা’ন্ত নিতে পারছে না বলেও দাবি তাদের।

ধর্ম সচিব বলছেন, ওআইসির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তারা অবগত নন। এছাড়া মঙ্গলবার বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই তারিখের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি।

ধর্ম ম’ন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ২১ জুলাই মঙ্গলবার চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন চাঁদ দেখা যাবে, এরকম বার্তা আমাদের কাছে নেই। যদি চাঁদ দেখা যায় তাহলে সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

হিজরি ক্যালে’ন্ডার বাস্তবায়ন পরিষদের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের ১৯৫টির মধ্যে ১৮৯টি দেশই এ বছর একই তারিখে রোজা শুরু ও ঈদুল ফিতর পালন করেছে। একইভাবে ওআইসির সদস্যভুক্ত ৫৭টির মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ৫৬ দেশই একই দিন রোজা ও ঈদ পালন করেছে।

শিক্ষকতা ছেড়ে যৌ’ন ক’র্মী, ঘ’ন্টায় আয় ২৭হাজার টাকা!

অর্থ যেন ন’ষ্টের মূল! অর্থের বিনিময়ে মানুষ কতটা চ’রিত্রহীন তা ভাবতেই অবাক লাগে! একজন শিক্ষিকা সমাজের প্রতিষ্ঠিত নারী। তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে বেঁচে নিয়েছে প’তিতাবৃত্তি।

চাইলে স্কুলে শিক্ষকতা করতে পারেন তিনি।তবে শিক্ষকতার চেয়ে যৌ’ন কর্মী হয়ে থাকা’টাই তার কাছে উচ্চ বিলাসী মনে হচ্ছে।

আশ্চর্যের বি’ষয় হলো, অবিবাহিত মেয়ে হয়েও বর্তমানে চার স’ন্তানের মা।তার কাছে, যৌ’নতা পেশাটাই সবচেয়ে আনন্দদায়ক।কেনবা এই পেশা প্রিয়?

সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ইংল্যান্ডের নটিংহামে বসবাস করেন ৩৪ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া। নামিদামি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

সে জানিয়েছেন, এমন কাজ আমার পছন্দের, যে কাজটা করা যায় ছেলে-মেয়ের পড়াশোনার সময়। তারা যখন বিদ্যালয়ে থাকে।ওই সময়ে সময় দিতে পারলে ভালো হয়।

প্রতিদিন চারজন খদ্দেরের সঙ্গে যৌ’ন লীলায় মত্ত হয় ভি’ক্টোরিয়া।সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খদ্দের পান। এছাড়া সে’ক্স ভিডিও ধারণ করে ঘণ্টায় ২৭ হাজার ছয়শ ৯৭ টাকা আয় করেন।

তার দাবি, যৌ’ন কর্মী হলেও নিজেকে আদর্শ মা মনে করেন। ছেলে-মেয়েদের কাছেও খুবই প্রিয়।

সে আরও বলেন, খদ্দেরদের ‘স্মরণ রাখা দরকার যে, আমি এখনো স’ন্তানদের স্কুলে নিয়ে যেতে চাই। তারপরও আমি খদ্দের সামলানোর চে’ষ্টা করেছি।খদ্দেরকেই আমার স’ন্তানকে স্কুলে পড়ার সময় ম্যানেজ করি।

ভি’ক্টোরিয়ার তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির জন্য দুটি প্রামাণ্যচিত্রে কাজ করেছেন সেই নারী।

নিজের পেশাকে অনেক সম্মান করেন এবং নিজেকে ভালো মা বলে মনে করেন।মেয়ে যেন তার পদাঙ্ক অনুসরণ না করে।সবসময় সেটা চান।

টানা তিন ঘন্টা ধরে স’হবা’স করতে গিয়ে হাসপাতালে দম্পতি!

তিন ঘণ্টা ধরে উপভোগ করলেন চ’রম যৌ’নসুখ। আর তারপরই হাসপাতালে ভর্তি হতে হল ম’হিলাকে। সিয়াটেলের দম্পতি এরিক ও লিজা যৌ’নমি’লনে লি’প্ত হন।

এক ঘণ্টা পর এরিক বিছানা থেকে নেমে কাজে যেতে চাইলেও নিজেকে তখনও সামলাতে পারেননি লিজা।

লিজা বলেন, এক ঘণ্টা অ’র্গাজম অনুভব করার পর আমি ওয়াইন খেয়ে চেষ্টা করছিলাম নিজেকে শান্ত করার। সবরকম চেষ্টা করেও ৩ ঘণ্টার আগে শান্ত হতে পারিনি। দু ঘণ্টা

পরই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান এরিক। কিন্তু সেখানেও অন্তত এক ঘণ্টা লেগেছে তাঁর স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে।

সে’ক্স সেন্ট মি টু এর নামক একটি টেলিভিশন শো-য়ে নিজেদের অ’ভিজ্ঞতার কথা জানান এরিক ও লিজা।

আরো পরুন: আর শোনা যাবে না বলিউড জয়ী আতিফ আসলামের গান পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলামের সংগীত জগতকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তে বেশ কিছুদিন ধরে জ’ল্পনা চলছে। বলা হচ্ছে, ধর্মের কারণে গান ছাড়ছেন তিনি।

সম্প্রতি জিও নিউজের ‘ক্যাপিটাল টক’ অনুষ্ঠানে হামিদ মীরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খোলেন বলিউডে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই গায়ক।

আতিফ আসলাম জানান, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার বিষয়টি বেশ ব্যক্তিগত। তবে নিজের অংশ হিসেবে ধর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। তিনি বলেন, “আমি বলতে চাই না যে,সংগীত পুরোপুরি ছেড়ে দেবো।

বরং ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ দিকের সঙ্গে যুক্ত আল্লাহর নিরানব্বই নাম ও তাজদার-ই-হা’রাম তুলে ধরতে চাই।”সবাইকে ইসলামের গুরুত্ব বুঝাতে চাই।এটা সবার দরকার।

তার সঙ্গে যোগ করেন, “আমি খুশি যে এমন কিছু তরুণ আছেন যারা শুধু আমার সংগীত শুনছেনই না, এই বিষয়গুলোর দিকেও ঝুঁকছেন। তবে আমি এখনই গান ছেড়ে দিচ্ছি না।

” করো’না পরিস্থিতিতে আতিফ আসলামের আজানের একটি ভি’ডিও ই’ন্টারনেটে ঝ’ড় তুলেছে। এ প্রসঙ্গে জানান, পবিত্র মক্কায় আজান দেওয়া ইচ্ছা অনেক দিনের।

সেখান থেকেই এই ভিডিও প্রকাশের পরিকল্পনা। এতই আ’প্লুত ছিলেন যে, আজান রেকর্ডের আগের রাতে তিনি ঘুমাতে পারেননি। এ নিয়ে তার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশের নয় বলেও জানান।

১৪ বছরের ছাত্রকে নিয়ে পালালেন সু’ন্দরী ম্যাডাম , ছাত্রের বা’বার মা’মলা!

একাধিক বার খবরের শিরোনামে এসেছে শিক্ষক ছাত্রীর প্রেম,তবে এবার আর শিক্ষক ছাত্রী নয়। ১৪ বছরের ছাত্রের স’ঙ্গে পালালেন ২৬ বছরের শি’ক্ষিকা।

বেশ কিছুদিন ধরেই দু’জনের মধ্যে চলছিল প্রেম। অ’ভিযোগ, ওই ছাত্রকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন শিক্ষিকা। নাহ এটা কোনও সিনেমার গ’ল্প নয়।

স’ম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে গুজরাতের গা’ন্ধী নগরে। ছেলেকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে থানায় অ’ভিযোগ দায়ের করেছেন ছাত্রটির বাবা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ ছাত্রের বাবা গুজরাত সরকারের কর্মী। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন ছেলে বাড়িতে নেই।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘‘আমার ‘স্ত্রী জানান বিকেল ৪টের সময় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ছেলে। এলাকায় অনেক ঘোরাঘুরি করেও আমরা তার খোঁজ পাইনি।

তখন ওই শিক্ষিকার বাড়িতে যাই আমরা। সেখানেও কেউ ছিলেন না।’’ এর পর কালোল সিটি পুলিশের কাছে অ’ভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ ছা’ত্রের স’ঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে প্রে’মের সম্পর্ক ছিল ওই শিক্ষিকার। তাঁদের এই ঘনি’ষ্ঠতার কথা ‘স্কুল ক’র্তৃপক্ষও জানতেন। সে জন্য তাঁদেরকে স’তর্কও করা হয়েছিল।

একাধিক বার খবরের শিরোনামে এসেছে শিক্ষক ছাত্রীর প্রেম,তবে এবার আর শিক্ষক ছাত্রী নয়। ১৪ বছরের ছাত্রের স’ঙ্গে পালালেন ২৬ বছরের শি’ক্ষিকা।

বেশ কিছুদিন ধরেই দু’জনের মধ্যে চলছিল প্রেম। অ’ভিযোগ, ওই ছাত্রকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন শিক্ষিকা। নাহ এটা কোনও সিনেমার গ’ল্প নয়। সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে গুজরাতের গা’ন্ধী নগরে। ছেলেকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওই শিক্ষিকার বিরু’দ্ধে থানায় অ’ভিযোগ দায়ের করেছেন ছাত্রটির বাবা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ ছাত্রের বাবা গুজরাত সরকারের কর্মী। শু’ক্রবার স’ন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন ছেলে বাড়িতে নেই।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী জানান বিকেল ৪টের সময় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ছেলে। এলাকায় অনেক ঘোরাঘুরি করেও আমরা তার খোঁজ পাইনি।

তখন ওই শিক্ষিকার বাড়িতে যাই আমরা। সেখানেও কেউ ছিলেন না।’’ এর পর কালোল সিটি পুলিশের কাছে অ’ভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ ছা’ত্রের সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে প্রে’মের সম্পর্ক ছিল ওই শিক্ষিকার। তাঁদের এই ঘনি’ষ্ঠতার কথা স্কুল ক’র্তৃপক্ষও জানতেন। সে জন্য তাঁদেরকে স’তর্কও করা হয়েছিল।

দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে বিএনপির ২ শীর্ষ নেতার মৃ’ত্যু!

মাত্র দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে বিএনপির সিনিয়র দুই নেতার মৃ’ত্যু হয়েছে। তারা হলেন- মুক্তিযু’দ্ধের সাব সে’ক্টর কমান্ডার, সাবেক যুবমন্ত্রী আবুল কাশেম (৭৭) ও খুলনা-৩ আসনের সাবেক সং’সদ সদস্য হুইপ মো. আশরাফ হোসেন (৮০)।

শনিবার রাত ৩টার থেকে ভোর ৪টা ২৫ মিনিটের মধ্যে তাদের মৃ’ত্যু হয়।

ত’থ্য মতে, আবুল কাশেম শনিবার ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে বনানীর নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃ’শ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি এক পুত্র ও দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার বাংলাদেশ জার্নালকে এ ত’থ্য নি’শ্চিত করেছেন।

শনিবার বাদ আসর কুমিল্লা সদর উপজে’লার পালপাড়া গ্রামে বাবা-মায়ের নামে প্রতি’ষ্ঠিত আছিয়া-গনি গার্লস স্কুল মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে কুমিল্লা সদর উপজে’লার পালপারায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

অন্যদিকে মো. আশরাফ হোসেন শনিবার রাত ৩টার দিকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অব’স্থায় মা’রা যান তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসার ও হা’র্টের সমস্যায় ভুগছিলেন।

আশরাফ দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

মো. আশরাফের ঘনি’ষ্ট রাজনৈতিক সহকর্মী এ কে এম মোশফেকুস সালেহীন পাইলট বলেন, ২৫ দিন আগে মো. আশরাফকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো।

তিনি ক্যানসার ও হা’র্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে স’ম্প্রতি সময়ে তার হা’র্টের সমস্যা বেশি হচ্ছিল। শু’ক্রবার রাতে অব’স্থার অবনতি হলে একপর্যায়ে তিনি মা’রা যান।

অপর একটি সূত্রে জানা গেছে, বাদ যোহর তার নামাজে জানাজা রাজধানীর নিকু’ঞ্জ-২ জামে মসজিদে অনু’ষ্ঠিত হবে। পরে কুমিল্লায় বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।

জানা যায়, খুলনা-৩ আসন থেকে বিএনপির টিকিটে চারবার নির্বাচিত হয়েছেন মো. আশরাফ। দলটিতে এক সময়ে যু’গ্ম মহাস’চিবও ছিলেন তিনি।

এছাড়াও শ্র’মিক সংগঠনের স’ঙ্গে স’ম্পৃক্ত থাকায় ছিলেন খুলনা জুট ওয়ার্কার্স ইন’স্টিটিউটের সভাপতিও ছিলেন তিনি। ১/১১-র সময়ে সংস্কারপন্থি হওয়ার অভিযোগ থাকায় বিএনপির স’ঙ্গে সম্প্রতি তার স’ম্পৃ’ক্ততা ছিলো না।

লকডাউনে তিনমাস ধরে ধ’র্ষণ করল বাবা, মে’য়ে গ’র্ভবতী!

মারণ ভাই’রাস ক’রোনার কারণে গত প্রায় তিন মাস ধরে চলছে লকডাউন। ঘরব’ন্দি ভারতের অধিকাংশ মানুষ। তার মধ্যেও অ’পরাধ কমছে না।বিশেষত না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন। আর এবার ঘরেই চলল অ’ত্যাচার।

ঘ’টনা তামি’লনাড়ুর। ১৪ বছরের মে’য়েকে গত তিন মাস ধরে লাগাতার ধ’র্ষণ করে বাবা। কি’শোরী এখন গ’র্ভবতী। দেশটির ‘স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মায়িলাদুথুরাই পু’লিশ গ্রে’প্তার করেছে অ’ভিযু’ক্তকে।

মা স’রকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিত্‍সকরা পরীক্ষা করে জানান, মে’য়েটি গ’র্ভবতী। এর পরই মায়ের কাছে সব কথা জানায় কি’শোরী। বলে, গত তিন মাস ধরে অ’ত্যাচার চা’লিয়েছে বাবা।

মে’য়ের কাছে সব শুনে স্বা’মীর নামে অভিযোগ দা’য়ের করেন ওই কি’শোরীর মা। তার অ’ভিযোগের ভিত্তিতেই অ’ভিযুক্তকে গ্রে’প্তার করা হয়। তার বি’রুদ্ধে নাবালিকাকে ধ’র্ষণ, গ’র্ভ’বতী করে দেওয়ার অ’ভিযোগ দা’য়ের হয়েছে।

রিয়াকে ধ’র্ষণ ও হ’ত্যার হুমকি
অঙ্কিতা লোখা’ন্ডের স’ঙ্গে স’ম্পর্কের ইতি ঘটার পর থেকেই অভিনেত্রী রিয়া চ’ক্রবর্তীই হয়ে উঠেছিলেন সুশা’ন্তের ‘বিশেষ ব’ন্ধু’৷

এমনকি, রিয়া মু’ম্বাইয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সুশা’ন্তের ‘ফ্ল্যাটেই থাকতেন৷ খবর অনুযায়ী, সুশা’ন্তের মৃ’ত্যুর কয়েক দিন আগেই নাকি সুশা’ন্তের বাড়ি ছেড়ে চলে যান রিয়া৷

এর নেপথ্যে কী রয়েছে, তা অবশ্য ধোঁয়াশাই রয়ে গেছে। তবে সুশা’ন্তের মৃ’ত্যর পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় রিয়াকে ক্রমাগত সুশান্তের মৃ’ত্যুর জন্য ‘দোষারোপ’ করছেন নেটিজেনরা ৷ একই স’ঙ্গে মহেশ ভাটের স’ঙ্গে তাঁর স’ম্পর্ক নিয়েও তীর্যক মন্তব্য করেই চলেছেন নেটিজেনরা ৷

রিয়াকে শুনতে হয়েছে নানা কু-কথা ৷ এত দিন এসব নিয়ে চুপই ছিলেন অ’ঙ্কিতা ৷ অবশেষে আর পারলেন না, সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা ধ’র্ষ’ণের হু’মকি, আ’ত্মহ’ত্যার প্ররোচনা নিয়েই এবার মুখ খুললেন নায়িকা ৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো নিজের ক্ষোভ উজাড় করে দিলেন রিয়া চ’ক্রবর্তী ৷

মান্নু নামের এক নারী অ্যাকাউ’ন্ট থেকে মেসেজ পাঠানো হয়েছে রিয়াকে। তাতে লেখা- ‘আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তুমি ধ’র্ষ’ণ হবে, এরপর তোমাকে হ’ত্যা করা হবে।